শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

জরায়ুমুখের ক্যান্সার ও প্রতিরোধ

নিউজ রুম / ১২৫ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ন

::ডা. সোমা চৌধুরী ::
আমাদের দেশের নারীরা
পুষ্টিহীনতা, রক্তস্বল্পতা, জরায়ু
মুখের ক্যান্সার এসব রোগে
বেশি ভোগে। ২০১৮ সালের
এক তথ্যমতে বাংলাদেশে
প্রতিবছর ১২ হাজার এর বেশি নারী মারা যান
জরায়ুমুখের ক্যান্সারে। অথচ একটু সচেতন হলেই
এই ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব। হিউম্যান
প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) জরায়ুমুখের
ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। বিভিন্ন প্রজাতির
হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) এর
মধ্যে দুই ধরনের এইচপিভি এই ক্যান্সার সৃষ্টি
করে। এইচপিভি যখন জরায়ুমুখে আক্রমণ করে
তখন কিছু পরিবর্তন আসে এবং পরে তা ক্যান্সারে
রূপ নেয়। এই ক্যান্সার এর বড় অসুবিধা হলো
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শেষ পর্যায়ে রোগটা ধরা পড়ে।
মেয়েরা আগে যে ছোটখাটো সমস্যা থাকে,
সেগুলো আমলে নেন না। কিন্তু তাঁরা একটু
খেয়াল করে সরকারি সেবাকেন্দ্রে গিয়ে বিনামূল্যে
ভায়া পরীক্ষা করাতে পারেন। এখন অনেক সময়
বিভিন্ন কেন্দ্রে ক্যাম্প করে ভায়া পরীক্ষা করানো
হয়। যারা যৌন সম্পর্কে আছেন বা কোন রকম
সমস্যা অনুভব করছেন অথবা কোন সমস্যা নেই
সকল নারী ভায়া করাতে পারেন। এই পরীক্ষার
মাধ্যমে জরায়ুমুখের ক্যান্সারের কোন পূর্ব লক্ষণ
আছে কিনা বোঝা যায়।
যেসব মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে হয়, অল্প বয়সে
শারীরিক সম্পর্ক হয়, বেশি ঘন ঘন বাচ্চা হয়,
ধুমপান করে, যার স্বামীর একাধিক যৌনসংগী
রয়েছে সেসব নারীর এই ক্যান্সারের সম্ভাবনা
বেশি। জরায়ু মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধের সবচেয়ে
ভালো উপায় ভ্যাক্সিন। আমাদের দেশে দুই
ধরনের ভ্যাক্সিন পাওয়া যায়। যেমন: সারভেরিক্স
এবং গারডাসিল। কিশোরী বয়স থেকে শুরু করে
যে কোন নারী এই ভ্যাক্সিন দিতে পারে। তবে
এগুলো এখনো বেসরকারিভাবে টাকার বিনিময়ে
নারীরা পাচ্ছে। প্রতিটা ভ্যাক্সিন এর জন্য প্রায়
২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা খরচ হয়। তবে তিন
ডোজ ভ্যাক্সিন নিলে (০, ১, ৬) ৭০%-৮০%
শংকামুক্ত থাকা যায়। তাই আমরা বলি, তিন
বছর পর পর ভায়া পরীক্ষা করুন এবং ভ্যাক্সিন
নেবার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সুস্থ
থাকতে হলে নিজে সচেতন হোন এবং প্রয়োজনীয়
ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
লেখক: অবস্ ও গাইনী বিশেষজ্ঞ


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর