শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ

গর্ভাবস্থায় ওজন বেড়ে যায়

নিউজ রুম / ১৬২ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন

:: ডা. সোমা চৌধুরী ::
গর্ভাবস্থায় ওজন বেড়ে যায়।এটাই স্বাভাবিক। গর্ভকালে সন্তানের পুষ্টির জন্য মাকে বেশি খেতে হয়,শরীরের বিপাক ক্রিয়া কমে যায়।ফলে মায়ের ওজন প্রায় ১১ থেকে ১৫ কেজি বেড়ে যায়।প্রায় ছয় মাস পর ওজন কমতে থাকে। কিন্তু যদি এ সময়ের পরও মায়ের ওজন পুর্বের কাছাকাছি না যায় তবে মাকে অবশ্যই সচেতন হতে হবে।না হলে হার্ট ডিজিজ,ডায়বেটিস, উচ্চরক্তচাপ ইত্যাদি জটিলতা হতে পারে। একজন মা প্রসবের দুই মাস পর থেকে সচেতন হয়ে কিছু অভ্যাস চর্চা করলে বাড়তি ওজন কমতে থাকে।যেমনঃ
পুষ্টি কর খাবারঃফল,শাকসবজি, প্রোটিন ও দুগ্ধ জাত খাবার প্রতিদিন খেতে হবে।
স্বাস্থ্য কর নাস্তাঃসারাদিনে অন্তত পাঁচবার অল্প অল্প বার বার খেতে হবে।নাস্তা হিসেবে ফল,বাদাম,খেজুর, স্যুপ,দই,ছোলা ভালো।
পরিমিত খাবারঃচকোলেট,আইসক্রিম, মিষ্টি বা শর্করা সমৃদ্ধ খাবার ওজন বাড়িয়ে দেয়।তাই সংযত থেকে ভালোভাবে চিবিয়ে সময় নিয়ে খাবার খেতে হবে।
বেশি পানিঃঅনেকে একদম না খেয়ে ওজন কমাতে চান।কিন্তু এটা ভুল। প্রচুর পানি ওজন কমাতে সহায়ক।
হালকা ব্যায়ামঃপ্রতিদিন নিয়মিত হাঁটা,হালকা ব্যায়াম বা জগিং, দৈনন্দিন কাজকর্মে সক্রিয় থাকা ওজন কমাতে সহায়ক।
পর্যাপ্ত ঘুমঃদিনে সাত আট ঘন্টা ঘুম স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
প্রসবের পর নিয়মিত শিশুকে দুধ পান করানো,পরিমিত পুষ্টি কর খাবার গ্রহণ, হালকা ব্যায়াম,নিজের সচেতনতা এসব অভ্যাস মা যদি জীবন যাত্রার সাথে একীভূত করে নেন তবে বাড়তি ওজন কমানো কষ্ট কর নয়।প্রসবের পর সেবা ও পরামর্শের জন্য সরকারি পর্যায়ে যেখানে যোগাযোগ করতে পারেন:কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, জেলা সদর হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ওষুধ খেয়ে ওজন কমানোর চেষ্টা না করে সচেতন হোন এবং ফিট থাকুন।
লেখক:: অবস ও গাইনী বিশেষজ্ঞ


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর