শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

লবণ ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে নির্যাতন : মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ

নিউজ রুম / ১২৮ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন

নুরুল আলম :
কক্সবাজারের টেকনাফে পাত্রী দেখতে গিয়ে লবণ ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে নির্যাতন, মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ উঠেছে। গেল ২৮ এপ্রিল উপজেলার রাজারছড়া ফরেস্ট অফিস নামক স্থান থেকে তাদের অপহরণ করা হয় বলে জানা গেছে। অপহৃতদের উদ্ধারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

অপহরণের শিকার জমির হোসেন রুবেল (৩৫) কক্সবাজার চৌফলদন্ডী উত্তরপাড়ার মো. আলমের ছেলে। পেশা তিনি লবণ ব্যবসায়ী।

এ ঘটনায় সোমবার (৮ মে) দুপুরে ভুক্তোভোগী পরিবার কক্সবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন।

লিখিত বক্তব্যে অপহৃত রুবেলের ছোট বোন সুমি আক্তার বলেন, ‘গত ২৮ এপ্রিল আমার ভাইয়ের জন্য পাত্রী দেখতে বন্ধু ইমরান ও ইউসুফসহ টেকনাফের উদ্দেশ্যে রওনা করে। তারা রাজারছড়া ফরেস্ট অফিস নামক স্থানে যায়। সেখানে রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের অপহরণের শিকার হয়। এর পরের দিন সকাল ১১টার রুবেলের মোবাইল অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং তাদেরকে মারধরের ভিডিও চিত্র মোবাইলের মাধ্যমে পাঠায়। এতে আমরা টেকনাফ থানা, কক্সবাজার থানা এবং র‍্যাব ১৫ কে এই বিষয়ে অবগত করি। আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করছি।’

কান্না জড়িত কণ্ঠে রুবেলের মা লেবাজ খাতুন বলেন, ‘আমরা গরীব মানুষ। মুক্তিপণের এতো টাকা কীভাবে দিবো? আমার ছেলে আজ ১০ দিনের বেশি আমার ছেলেকে নির্যাতন করছে অপহরণকারীরা। ৫দিন ধরে মোবাইল বন্ধ। আমার মন মানছে না। আমি আমার ছেলে ফেরত চাই। আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

রুবেলের মেয়ে জয়া মনি বলেন, ‘প্রথমে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে, পরে সেই টাকা কমতে কমতে ১০ লাখ টাকার মধ্যে আসে। অপহরণকারী ১০ লাখ টাকা দিলে আমার বাবাকে ছেড়ে দেবে বলে জানায়। কিন্তু আমরা গরীব মানুষ। আমাদের কাছে টাকা নেই। পৃথিবীতে আমার বাবা ছাড়া আমাদের কেউ নেই। আমরা আমাদের বাবাকে ফিরে পেতে চাই।’
পরিবারের পক্ষ থেকে অপহৃতদের উদ্ধারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে

এ ব্যাপারে টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম বলেন, ‘বর্তমানে অপহরণ ইস্যুটা স্বাভাবিক হয়ে গেছে। এটা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। এ রকম ঘটনা যদি ঘটে থাকে তাহলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর