শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

চকরিয়ায় আগুনে পুড়ে শিশুসহ বসতঘর পুড়ে ছাই

নিউজ রুম / ১১৬ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৬ অপরাহ্ন

মুকুল কান্তি দাশ,চকরিয়া:
কক্সবাজারের চকরিয়ায় বসত ঘরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এসময় এক শিশুসহ বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের হালকাকারা এলাকার মৌলভীরচরে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুর নাম ওসমা মনি (৭)। সে চকরিয়া পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের হালকাকারা এলাকার মৌলভীরচরের বাসিন্দা প্রবাসী মোহাম্মদ ওসমানের মেয়ে।
স্থানীয় লোকজন বলেন, মৌলভীরচরের মো. বাহাদুর মিস্ত্রির বসতঘরে দক্ষিণ কোণায় অবস্থিত চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এই ঘরটিতে বাহাদুর মিস্ত্রি, তাঁর ভাই মোহাম্মদ ওসমান ও মোহাম্মদ মিজান স্ত্রী-সন্তান নিয়ে আলাদা থাকতেন। আগুন লাগার ১০ মিনিটের মধ্যে লেলিহান শিখা বসতঘরের সবদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ঘুমন্ত অবস্থায় পুড়ে ছাই হয় ওসমানের সাত বছরের মেয়ে ওসমা মনি।
চকরিয়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর রেজাউল করিম বলেন, বসতঘরটি বেড়া দিয়ে টিনের ছাউনি হওয়ায় আগুন দ্রæত ছড়িয়ে পড়ে। অগ্নিকান্ডের সময় ওসমা মনি তাঁর চাচির সঙ্গে ঘুমিয়েছিল। আগুনের তীব্রতায় চাচি তাঁর শিশু সন্তান নিয়ে বের হয়ে এলেও ভুলে যান ওসমা মনির কথা। এতে আগুনে পুড়ে ওসমা মনির শরীরের ৮০ ভাগ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
পুড়ে মারা যাওয়া ওসমা মনির মা শাহিনা আকতার বলেন, তাঁর দুই ছেলে, এক মেয়ে। ১০ বছরের বড় ছেলে ও ২২ মাসের ছোট ছেলে তাঁর সঙ্গে ঘুমিয়েছিল। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে তিনি দুই সন্তান নিয়ে বেরিয়ে পড়েন। সাত বছরের একমাত্র মেয়ে ওসমা মনি তার চাচির সঙ্গে ঘুমিয়েছিল।
অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে রাত সোয়া একটার দিকে ঘটনাস্থলে ছুটে যান চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) তফিকুল আলম ও চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, দেড় ঘণ্টা চেষ্টার পর স্থানীয় জনতা ও ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এই আগুনে তিন ভাইয়ের থাকার জায়গার পাশাপাশি একটি শিশু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, শিশুটি যেহেতু আরেকঘরে পুড়ে মারা গেছে তাই ওই শিশুর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদও হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে রবিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে ছুটে যান কক্সবাজার-১(চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলম। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেন এবং আগুনে পুড়ে যাওয়া শিশুর পরিবারকে শান্তনা জানান।
এছাড়াও তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নগদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেন। পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য আরও অনুদান প্রদান করা হবে বলেও জানান।###


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর