শিরোনাম :
পণ্য মেলায় মুক্তি কক্সবাজার কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী

অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর প্রশাসন

নিউজ রুম / ১৭২ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন

সাকলাইন আলিফ :

মিয়ানমার সীমান্ত ডিঙ্গিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। এই লক্ষ্যে স্থল ও জলসীমায় বিজিবি ও কোস্টগার্ডের নজরদারী বাড়ানো হয়েছে। এজন্য বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম থেকে উখিয়া হয়ে টেকনাফের স্থল সীমান্তে বাড়ানো হয়েছে বিজিবির সদস্য।  এর পাশাপাশি টেকনাফের দমদমিয়া সীমান্ত সংলগ্ন নাফ নদে স্পীড বোট দিয়ে মিয়ানমার সীমান্ত ঘেঁষা জালিয়ার দ্বীপ এলাকায় টহল বাহিনীর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে বিজিবি। এছাড়া কোস্টগার্ডের নিয়মিত টহলও জোরদার করা হয়েছে।

এবিষয়ে টেকনাফ ২ বিজিবি অধিনায়ক লে.কর্নেল মো.মহিউদ্দীন আহমেদ  বলেন, নাফ নদ জলসীমা অতিক্রম করে মিয়ানমার থেকে আর কোন রোহিঙ্গা নাগরিক যেন অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে লক্ষ্যে টেকনাফ নাফ নদী সীমান্ত এলাকা গুলোতে সীমান্ত প্রহরী বিজিবি সৈনিকদের টহল জোরদার করার পাশাপাশি টহল পাটির সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে এবং অত্র উপজেলার ৫৪ কিলোমিটার সীমান্ত জুড়ে বিজিবির অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নাফ নদে প্রতিনিয়ত স্প্রীড বোট টহল অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

এদিকে গত কয়েক দিন ধরে মিয়ানমার মংডু শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছোট ছোট ট্রলারে দিয়ে নাফ নদ জলসীমা অতিক্রম করে টেকনাফ সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে যাচ্ছে ওপারে সীমান্তে অবস্থান নেওয়া অনেক রোহিঙ্গা। তবে বিজিবি কঠোর নজরদারী অব্যাহত থাকার কারনে একজন রোহিঙ্গাও সীমান্ত প্রবেশ করতে পারেনি।

কর্নেল মহিউদ্দীন আহমেদ আরও বলেন, সীমান্তের বিভিন্ন এলাকা দিয়ে লোকজন অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে কিন্তু আমরা নতুন করে আর কাউকে ঢুকতে দিবো না। ওপারে চলমান সংঘাত সৃষ্টি হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৩৭ জনকে প্রতিহত করা হয়েছে। অন্য দিনের তুলনায় টেকনাফ সীমান্ত এলাকা অনেকটা শান্ত আছে।
এবিষয়ে কোস্টগার্ডের টেকনাফ ষ্টেশন কমান্ডার লুৎফুল লাহিল মাজিদ  বলেন, টেকনাফ, শাহপরীর দ্বীপ, বাহারছড়া ও সেন্টমার্টিনে বর্তমানে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ও দেশের মানুষকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ও অনুপ্রবেশ রোধে কোস্টগার্ড বদ্ধ পরিকর।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর