শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর না করা: কূটনৈতিক দূরদর্শিতার একটি বার্তা কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপি সরকার মানুষের উন্নয়নের রাজনীতি করে-প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনবল নিয়োগ বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ভোলায় মানববন্ধন: প্রাকৃতিক জলাশয় রক্ষা ও প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়নের দাবি Speakers’ demands at the World Environment Day 2026 human chain. Save water bodies, prevent groundwater depletion কক্সবাজারে পাতলী খাল পরিদর্শন করলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি কক্সবাজারের মহেশখালীর মানুষের মুখে হাসি ফুটালো আইএসডিই বাংলাদেশ সড়কের আশপাশে পশুর হাট বসলে আইনি ব্যবস্থা -এমপি কাজল চকরিয়ায় বি.এম চর ইউনিয়নে ১৫শ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিল আইএসডিই বাংলাদেশ

কক্সবাজারে আগুনে ২১ দোকান পুড়ে ছাই

নিউজ রুম / ১২৬ বার পড়ছে
আপলোড : রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ন

রহমান তারেক :

কক্সবাজার সদরের খরুলিয়া বাজারে মধ্যরাতে আগুনে ২১টি দোকান পুড়ে গেছে। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের  এক ঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও সব কিছুই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন স্থানীয় লোকজন।
স্থানীয়রা জানান, আগুন লাগার পরপরই মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে মুদি দোকান, একাধিক শো-রুম, চায়ের দোকান, ফার্মেসী, ইলেকট্রি এন্ড হার্ডওয়্যার, গাছের গুদাম, একটি কীর্টনাশের দোকান ও একাধিক ফার্নিচারের দোকানসহ ২১টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
জানা গেছে, মার্কেটটিতে প্রায় অর্ধশত দোকান আছে। এসব দোকানে কাজ করে তিন শতাধিক মানুষ জীবিকা নির্বাহ করেন। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোতে কোটি টাকার মালামাল ছিল। মার্কেটের পেছনের অংশ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে পুরো মার্কেটে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে মার্কেটের বেশিরভাগ অংশ ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়েছে।
ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান টিপু সুলতান বলেন, খরুলিয়া গরু বাজারের পূর্ব অংশের আমিন মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে। শুরুতে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও পুড়ে যাওয়া দোকানগুলো ফার্নিচার, গাছের গুদাম ও টিনের বেড়া হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
খরুলিয়া বাজার কমিটির কোষাধ্যক্ষ নুরুল আজিম জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। তিনি ব্যবসায়ীদের ঘুড়ে দাঁড়ানোর জন্য সরকারি সহায়তা দাবি করেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, দোকান থেকে কোন মালামাল বের করতে পারেননি তারা। কয়েকজন ব্যবসায়ী কিছু কিছু মালামাল বের করতে পারলেও সেগুলো পানিতে নষ্ট হয়ে যায়। আগুনে ব্যবসার পুঁজি হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকে। আগুনে দোকান পুড়ে যাওয়ায় নিঃস্ব হয়ে গেছেন তারা। ঈদের আগে এই আগুনের তাদের যে ক্ষতি হয়ে গেলো সেটা পূরণ করা প্রায় অসম্ভব।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর