শিরোনাম :
কক্সবাজারে নয়ন সাধু নামে এক সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা সেই ইউপি সদস্য রুস্তম আলী অবশেষে মুক্ত টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর বিশেষ অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত ও একাধিক মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার রামুতে সাড়ে ২৪ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২ তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি

কক্সবাজারে আগুনে ২১ দোকান পুড়ে ছাই

নিউজ রুম / ১১৮ বার পড়ছে
আপলোড : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন

রহমান তারেক :

কক্সবাজার সদরের খরুলিয়া বাজারে মধ্যরাতে আগুনে ২১টি দোকান পুড়ে গেছে। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের  এক ঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও সব কিছুই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন স্থানীয় লোকজন।
স্থানীয়রা জানান, আগুন লাগার পরপরই মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে মুদি দোকান, একাধিক শো-রুম, চায়ের দোকান, ফার্মেসী, ইলেকট্রি এন্ড হার্ডওয়্যার, গাছের গুদাম, একটি কীর্টনাশের দোকান ও একাধিক ফার্নিচারের দোকানসহ ২১টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
জানা গেছে, মার্কেটটিতে প্রায় অর্ধশত দোকান আছে। এসব দোকানে কাজ করে তিন শতাধিক মানুষ জীবিকা নির্বাহ করেন। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোতে কোটি টাকার মালামাল ছিল। মার্কেটের পেছনের অংশ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে পুরো মার্কেটে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে মার্কেটের বেশিরভাগ অংশ ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়েছে।
ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান টিপু সুলতান বলেন, খরুলিয়া গরু বাজারের পূর্ব অংশের আমিন মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে। শুরুতে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও পুড়ে যাওয়া দোকানগুলো ফার্নিচার, গাছের গুদাম ও টিনের বেড়া হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
খরুলিয়া বাজার কমিটির কোষাধ্যক্ষ নুরুল আজিম জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। তিনি ব্যবসায়ীদের ঘুড়ে দাঁড়ানোর জন্য সরকারি সহায়তা দাবি করেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, দোকান থেকে কোন মালামাল বের করতে পারেননি তারা। কয়েকজন ব্যবসায়ী কিছু কিছু মালামাল বের করতে পারলেও সেগুলো পানিতে নষ্ট হয়ে যায়। আগুনে ব্যবসার পুঁজি হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকে। আগুনে দোকান পুড়ে যাওয়ায় নিঃস্ব হয়ে গেছেন তারা। ঈদের আগে এই আগুনের তাদের যে ক্ষতি হয়ে গেলো সেটা পূরণ করা প্রায় অসম্ভব।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর