শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর না করা: কূটনৈতিক দূরদর্শিতার একটি বার্তা কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপি সরকার মানুষের উন্নয়নের রাজনীতি করে-প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনবল নিয়োগ বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ভোলায় মানববন্ধন: প্রাকৃতিক জলাশয় রক্ষা ও প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়নের দাবি Speakers’ demands at the World Environment Day 2026 human chain. Save water bodies, prevent groundwater depletion কক্সবাজারে পাতলী খাল পরিদর্শন করলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি কক্সবাজারের মহেশখালীর মানুষের মুখে হাসি ফুটালো আইএসডিই বাংলাদেশ সড়কের আশপাশে পশুর হাট বসলে আইনি ব্যবস্থা -এমপি কাজল চকরিয়ায় বি.এম চর ইউনিয়নে ১৫শ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিল আইএসডিই বাংলাদেশ

দুই লাখ পিস ইয়াবা বিদেশি অস্ত্র সহ চার মাদক কারবারি গ্রেফতার

নিউজ রুম / ১৬২ বার পড়ছে
আপলোড : সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৭:২৩ অপরাহ্ন

কল্লোল দে :
কক্সবাজারে পৃথক অভিযান চালিয়ে ‘অস্ত্রের বিনিময়ে মাদকের চালান’ লেনদেন চক্রের তিন সদস্য এবং সীমান্ত দিয়ে মাদকের এক শীর্ষ পাচারকারিকে আটক করেছে র্যাব; এসময় আটকদের কাছ থেকে দুই লাখ ইয়াবা, বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে র্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন ব্যাটালিয়নটির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন।
আটকরা হল- টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের হ্নীলা পূর্ব জাদিমুরা ইমাম হোসেনের ছেলে ইয়ামিন আরাফাত ওরফে কালু (২১) ও হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উনচিপ্রাং এলাকার মোহাম্মদ হোসাইনের ছেলে আবুল কাশেম (৩৫) এবং খুলনা জেলার সদর উপজেলার আবুল কালামের ছেলে সাকির আহম্মদ সাগর (২৬) ও দাকোপ উপজেলার সুঁতারখালী ইউনিয়নের গুনারী এলাকার নওশের মোড়লের ছেলে মো. নুরুজ্জামান (২৮)।
এদের মধ্যে ইয়াসিন আরাফাত ওরফে কালু শীর্ষ মাদক কারবারি এবং অন্যরা অস্ত্রের বিনিময়ে মাদকের চালান লেনদেন চক্রের সদস্য।
র্যাব জানিয়েছে, আটক প্রত্যেকের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্রসহ নানা অভিযোগে টেকনাফসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সাজ্জাদ হোসেন বলেন, সোমবার রাতে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের রইক্ষ্যং এলাকায় অস্ত্রের বিনিময়ে মাদকের চালান লেনদেনের জন্য কতিপয় লোকজন অবস্থান করছে খবরে র্যাবের একটি দল অভিযান চালায়। এতে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে র্যাব সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে ৪/৫ সন্দেহজনক লোক দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা চালায়। এসময় ধাওয়া দিয়ে ৩ জনকে আটক করতে সক্ষম হলেও অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে আটকদের হেফাজত থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুইটি গুলি পাওয়া যায়।
র্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, “ আটকরা স্বীকারোক্তি দিয়েছে, তারা তিনজনই মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ি। তারা খুলনা থেকে অস্ত্রের চালান এনে টেকনাফের বিভিন্ন অপরাধী চক্রের কাছে তুলে দিতো। চক্রটি নগদ টাকার পাশাপাশি মাদকের বিনিময়েও এসব অস্ত্র লেনদেন করতো। “
এদিকে সোমবার রাতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের পূর্ব জাদিমুরা এলাকায় নাফ নদী সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে মাদকের বড় একটি চালান পাচারে খবরে পৃথক অভিযান চালিয়ে দুই লাখ ইয়াবাসহ ইয়াছিন আরাফাত ওরফে কালু এক শীর্ষ পাচারকারিকে আটক করা হয়েছে বলে জানান র্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন।
তিনি বলেন, সোমবার রাতে হ্নীলা ইউনিয়নের পূর্ব জাদিমুরা এলাকায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাবের একটি দল অভিযান চালায়। এক পর্যায়ে নাফ নদী সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার দিক থেকে সন্দেহজনক একজন লোককে আসতে দেখে র্যাব সদস্যরা থামার জন্য নির্দেশ দেন। এতে ওই লোকটি র্যাব সদস্যদের উপস্থিতি দেখতে পেয়ে দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা চালায়। এসময় ধাওয়া দিয়ে তাকে আটক করতে হয়।
পরে আটক ব্যক্তির দেওয়া তথ্য মতে নিজের বসত ঘরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন।
র্যাব জানিয়েছে, আটক ইয়াসিন আরাফাত ওরফে কালু শীর্ষ মাদক কারবারি ও মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারকারি চক্রের অন্যতম হোতা। সীমান্তে মাদকপাচারে তার নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। চক্রটি সীমান্ত দিয়ে মাদকের বড় বড় চালান নিয়ে এসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় পাচার করতো।
আটকদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে টেকনাফ থানায় পৃথকভাবে মামলা করা হয়েছে বলে জানান লে. কর্নেল সাজ্জাদ হোসেন।

চৌধুরী  :

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে দুই লাখ পিস ইয়াবা একটি বিদেশি পিস্তল সহ চারজন ইয়াবা ও অস্ত্র কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব ১৫।


গতকাল সোমবার রাতে র্যাব এই অভিযান চালিয়েছে বলে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন র্যাব ১৫ এর অধিনায়ক লে কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন।


আজ মংগলবার দুপুরে কক্সবাজার র্যাব ১৫ এর কার্যালয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে লে কর্নেল সাজ্জাদ জানান র‌্যাব-১৫ এর আভিযানিক দল র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে, মাদক পাচারের হাব হিসেবে ব্যবহৃত টেকনাফ উপজেলার হ্নীলার সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে মাদক কারবারী ইয়াসিন আরাফাত ওরফে কালু এর মাদক সিন্ডিকেট পার্শ্ববর্তী মিয়ানমার হতে বড় একটি মাদকের চালান নিয়ে হ্নীলা ইউনিয়নের পূর্ব জাদিমুড়া এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের প্রেক্ষিতে গতকাল রাতে র‌্যাব-১৫ এর একটি দল অবস্থান নেয়। এ সময় র‌্যাবের অভিযানের বিষয়টি বুঝতে পেরে পলায়নের চেষ্টাকালে কুখ্যাত মাদক কারবারি ও পার্শ্ববর্তী দেশ হতে মাদক চোরাকারবারীর অন্যতম হোতা ইয়াসিন আরাফাত ওরফে কালু’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারী তার নাম-ঠিকানা প্রকাশসহ নিজ বসত ঘরে মাদকদ্রব্য ইয়াবা আছে বলে স্বীকার করে। পরে তার বসত ঘর তল্লাশী করে খাটের নিচে বিশেষ কায়দায় লুকায়িত অবস্থা থেকে দুই লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।


অপরদিকে র‌্যাবের অপর একটি টিম গতকাল রাতে  টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের রৈক্যংখালী এলাকার সন্ত্রাসী, ইয়াবা কারবারি আবুল কাশেম’সহ তিনজনকে গ্রেফতার এবং তাদের আস্তানা তল্লাশী করে ১টি বিদেশী পিস্তল ও ০২ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত কাশেম ঐ এলাকার মোহাম্মদ হোসাইনের ছেলে। এ ছাড়া অপর গ্রেফতার দুই জন নুরুজ্জামান ও সাকির আহমেদ খুলনা জেলার দাকোপ এলাকার বাসিন্দা।
ব্রিফিংয়ে তিনি জানান র‌্যাব-১৫ ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠার পর এ পর্যন্ত মাদক বিরোধী এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে দুই কোটি ছিয়ানব্বই লক্ষ পঁচাত্তর হাজার একচল্লিশ পিস ইয়াবা এবং ৫০টি বিদেশী অস্ত্র, ৪৯৪টি দেশীয় অস্ত্র ও ১৬২৭ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর