শিরোনাম :
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ যুক্তির লড়াইয়ে মুখর কুতুবদিয়া দ্বীপ

বিজয় দিবসের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল

নিউজ রুম / ২৬০ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন

সাকলাইন আলিফ :

বিজয় দিবসের ছুটিতে কক্সবাজারের বিপুল পর্যটকের সমাগম ঘটেছে। সবগুলো হোটেল মোটেল আগে থেকেই বুক হয়ে গেছে। পুরো সৈকত জোরে পর্যটক আর পর্যটক। আগত পর্যটকদের নিরাপত্তাই নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।
১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল নামে। রোববার একদিন খোলা থাকলেও অনেকেই দিনের ছুটি নিয়ে কক্সবাজারে চলে আসে। সোমবার সকাল থেকে কক্সবাজার আসতে থাকে একের পর এক বড় বড় পরিবহন। সে সাথে ট্রেনে করে আসে অনেক পর্যটক। আসেন আকাশ পতে ও। সব মিলিয়ে দুপুরের মধ্যে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবনী, সুগন্ধা, কলাতলী পয়েন্ট পর্যটকদের পদবারের মুখর হয়ে ওঠে।
ঢাকার শান্তিবাগ থেকে আসা পর্যটক লাবিবা বলেন, পরিবার নিয়ে এসেছেন সোমবার সকালে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অনেকদিন পর কক্সবাজারে এসে, ভালো লাগার কথা জানান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর থেকে আসা পর্যটক হাবিব, সোহেল, তারেক বলেন, পরীক্ষা শেষ করে সব বন্ধুবান্ধব মিলে কক্সবাজার এসেছে। সৈকতের বালিয়াড়িতে তারা ভালো আনন্দ উপভোগ করেছেন। সৈকতের নীল জলরাশি তাদের বারবার টানে বলিও জানান এই পর্যটকরা।
হোটেল দা কক্স টুডের এজিএম আবু তালেব শাহ বলেন, ডিসেম্বর পর্যন্ত ভালো পর্যটক আছে। জানুয়ারিতেও ভালো বুকিং আছে। সব মিলে ব্যবসাটা এখন ভালো হচ্ছে। তবে আগস্ট এর সময় ব্যবসা খারাপ গেছে বলে জানান তিনি।
টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের মুখপাত্র সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবুল কালাম বলেন, স্বাগত পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে টুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বলেন, পর্যটকরা যাতে কোনভাবে হয়রানি শিকারে না হয়, সেজন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সৈকত এলাকায় কয়েকটি টিম কাজ করছে। কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর