শিরোনাম :
কোটা আন্দোলন : কক্সবাজারে আওয়ামীলীগ, জাসদ, জাতীয় পার্টির কার্যালয়, মসজিদ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গাড়ি ভাংচুর; ছাত্রলীগ ৪ নেতাকে মারধর কক্সবাজারে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের বিক্ষোভ মিছিল চট্টগ্রামে কোটা আন্দোলনে সংর্ঘষে নিহত ছাত্র আকরামের বাড়ী কক্সবাজারের পেকুয়ায় পেকুয়ায় দূর্যোগ প্রস্তুতি ও সাড়াদান বিষয়ক কর্মশালা ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার পর্যটন শহরেও উত্তাপ ছড়ালো কোটা আন্দোলনকারীরা উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব ১৫ জুলাই টেকনাফে জেন্ডার ও বিরোধ সংবেদনশীল সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ মিয়ানমারের বিকট শব্দে আতংকে টেকনাফবাসী টেকনাফে ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন

রামুতে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সমাবেশ ও মিলাদ মাহফিল

নিউজ রুম / ৪ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৮:১৭ অপরাহ্ন

এস এম হুমায়ুন কবির :
২০০৪ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার উপর বিএনপি জামাত কর্তৃক গ্রেনেড হামলা করে সাবেক রাস্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী আইভি রহমান সহ ২৪ জন নেতাকর্মী নিহত ও ৩০০ জন নেতাকর্মী গ্রেনেড বিদ্ধ হওয়ার প্রতিবাদে এবং হত্যাকারীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবিতে বাংলাদেশ আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগ রামু উপজেলা শাখার উদ্যোগে দিনব্যাপী নানান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ ২১ আগস্ট দিবসটি পালিত হয়েছে।

বিকালে রামু উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে এক প্রতিবাদ সভা রামু উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক বাবু তপন মল্লিকের সভাপতিত্বে যুগ্ন সাধারন সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিকের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতির বক্তব্যে রামু উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক বাবু তপন মল্লিক বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ১৮ কোটি মানুষের আস্হা ও ভালবাসা ঠিকানা, বঙ্গবন্ধু কণ্যা শেখ হাসিনা কে হত্যার মিশন নিয়ে বেগম খালেদা জিয়া হাওয়া ভবন থেকে নীল নকশার মাধ্যমে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামিলীগ আয়োজিত সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিল।মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের অসীম রহমতে সেদিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলে ও ২৪ জন আওয়ামিলীগের তরতাজা প্রাণ ঘাতকের বুলেটের আঘাতে প্রাণ হারান।
আজ ২১ আগস্ট ১৮ বছর অতিবাহিত হলে ও এখনো খুনিরা বাংলার মাটিতে মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমরা রামু উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ আজকের প্রতিবাদ সভা থেকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় সরাসরি জড়িত ও কুশীলবদের তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও সেদিন যে ২৪ জনআওয়ামীলীগ নেতা শাহাদাত বরণ করেছিল তাদের আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি।
প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, রামু উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারন সম্পাদক বাবু তপন মল্লিক, উপজেলা তাঁতীলীগের সভাপতি নুরুল আলম জিকা,উপজেলা সৈনিক লীগ সভাপতি মিজানুর রহমান রাজা,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমেদ, রামু উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং গর্জনিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাংবাদিক এস এম হুমায়ুন কবির, ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আজিজুল হক এমইউপি,রাজারকুল ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক সুজন চক্রবর্তী, গর্জনিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি মনির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল হাকিম প্রমুখ।
প্রতিবাদ সভা শেষে ২১ আগস্ট শাহাদাত বরণকারীদের আত্নার মাগফেরাত কামনা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয় এবং সন্ধ্যা ৭ টায় রামু উপজেলা পরিষদ চত্বরের শহীদ মিনারে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে ২১ আগস্ট ঘাতকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানানো হয়।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর