শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ

সাগরপাড়ে পর্যটকের ঢল

নিউজ রুম / ১৪৮ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

তারেকুর রহমান :
ঋতুরাজ বসন্ত আর বিশ্ব ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে পর্যটকদের ঢল নেমেছে কক্সবাজারে। এই পর্যটনশহরে সমুদ্রের ঢেউ আর ভালোবাসার আবেগ একসঙ্গে মিশে গিয়ে তৈরি হয়েছে এক উৎসবমুখর পরিবেশ। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজারো পর্যটক এই দিনে প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে উপভোগ করছেন বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য।
শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সমুদ্রসৈকতের প্রধান তিন পয়েন্ট কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণিতে গিয়ে দেখা যায়, ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে অনেকেই ফুল, উপহার ও বেলুন হাতে সাগরপাড়ে সময় কাটাচ্ছেন। কেউবা বসন্তের হলুদ শাড়ি ও পাঞ্জাবিতে মেতে উঠেছেন ছবি তোলার আনন্দে। হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে চলছে বিশেষ আয়োজন, আর কফিশপ ও রেস্তোরাঁগুলোও দম্পতি ও তরুণ-তরুণীদের উপচে পড়া ভিড়ে মুখর।
ঢাকা থেকে আসা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সানি শাহরিয়ার বলেন, ‘‘ভালোবাসার দিনটা বিশেষভাবে কাটাতে কক্সবাজারে এসেছি। সমুদ্রের ঢেউ আর প্রিয় মানুষ, সব মিলিয়ে দিনটা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’’
রাজশাহী থেকে আসা নবদম্পতি শাওন ও সানিয়া বলেন, ‘‘আমাদের বিয়ের পর প্রথম ভালোবাসা দিবস কাটাচ্ছি কক্সবাজারে। এখানে আসার অনুভূতি সত্যিই অন্যরকম। সৈকতের বাতাস আর ঢেউয়ের শব্দ আমাদের সময়টাকে আরও রোমান্টিক করে তুলেছে।’’
কুমিল্লা থেকে পরিবার নিয়ে বেড়াতে আসা ব্যবসায়ী আলী মোহাম্মদ বলেন, ‘‘শুধু প্রেমিক-প্রেমিকাই নয়, পরিবার নিয়েও এখানে সময় কাটানো দারুণ লাগছে। শিশুরা আনন্দ করছে, আমরাও প্রকৃতির মাঝে একটুখানি স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে পারছি।’’
এদিকে, পর্যটকদের এই বাড়তি ভিড়ে খুশি পর্যটন ব্যবসায়ীরাও। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও হোটেল মালিকদের মতে, এ বছর বসন্ত ও ভালোবাসা দিবসের মিলিত আনন্দে পর্যটকদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তৎপর রয়েছে। বসন্তের বাতাস আর ভালোবাসার উষ্ণতা মিলিয়ে কক্সবাজারের পরিবেশ হয়ে উঠেছে স্বপ্নীল ও রঙিন।
হোটেল-মোটেল গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাসেম সিকদার বলেন, ‘‘বসন্তের শুরুতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল আমাদের জন্য বেশ ইতিবাচক। আশা করছি গ্রীষ্মকালেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে, যা কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পকে আরও চাঙা করবে।’’
সৈকতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিচকর্মী, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও লাইফগার্ডকর্মীরা নিয়মিত কাজ করছেন।
বিচকর্মীদের সহকারী সুপারভাইজার বেলাল হোসেন বলেন, ‘‘দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা পর্যটকদের সুবিধার কথা বিবেচনায় রেখে আমরা রাতদিন কাজ করে যাচ্ছি। কোনো পর্যটক যাতে হয়রানির শিকার না হন এবং গভীর পানিতে নামার ঝুঁকি না নেন, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।’’
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (পর্যটন সেল) মো. তানভীর হোসেন বলেন, ‘‘পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে সার্বক্ষণিক সজাগ দৃষ্টি রয়েছে। বিচকর্মী, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও লাইফগার্ডকর্মীরা পর্যটক সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন। এবং কারো অভিযোগ কিংবা তথ্যের প্রয়োজন হলে সমুদ্রসৈকতের প্রতিটি পয়েন্ট তথ্য ও অভিযোগ কেন্দ্র সচল রয়েছে।’’


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর