শিরোনাম :
হাইসাওয়ার উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে কক্সবাজারের উপকূলের মানুষের জীবন কক্সবাজারে শনিবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন কক্সবাজারে চাকরি মেলায় নিশ্চিত হলো ১৩২ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস : নিজ দেশে ফেরার আকুতি রোহিঙ্গাদের হাতি বাঁচলে টিকবে জীববৈচিত্র্য, বাড়বে বনাঞ্চলের সবুজায়ন ক্ষমতার জোরে গণভোটের রায়কে প্রত্যাখান করতে চায় বিএনপি: ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ খুশি প্রধানমন্ত্রী চিত্রচিন্তার প্রথম জাতীয় আলোকচিত্র উৎসব সফলভাবে সমাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর না করা: কূটনৈতিক দূরদর্শিতার একটি বার্তা কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপি সরকার মানুষের উন্নয়নের রাজনীতি করে-প্রধানমন্ত্রী

লবনের ন্যায্য মুল্যের দাবিতে কক্সবাজারে মহাসড়কে লবন চাষিদের অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি

নিউজ রুম / ১৩৫ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৬:৩৮ অপরাহ্ন

সাকলাইন আলিফ :
কক্সবাজারে প্রান্তিক চাষিদের উৎপাদিত লবণের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতের দাবীতে কক্সবাজার – চট্টগ্রাম মহাসড়কে “অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচী” পালন করছে কক্সবাজার লবণ চাষী ও ব্যবসায়ী সংগ্রাম পরিষদ।
আজ বুধবার সকাল ১১ টা থেকে চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী এলাকায় সড়কে লবন ঢেলে এ বিক্ষোভ করে তারা। এ সময় সড়কে দুই ঘন্টা ধরে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি জামিল ইব্রাহিম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরী খোকন মিয়া, এডভোকেট শহীদুল্লাহ্ ইউপি চেয়ারম্যান মৌলানা আবদুর রহমান, নুরুল আজম শোয়াইবুল ইসলাম সবুজ প্রমুখ।
লবন চাষী ও ব্যবসায়ী সংগ্রাম পরিষদের দাবী, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম বাংলাদেশের একমাত্র দেশীয় লবণ উৎপাদন কেন্দ্র। তৎমধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশ লবণ উৎপাদন হয় কক্সবাজার জেলায় টেকনাফ, কক্সবাজার সদর, ঈদাগাঁও, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, পেকুয়া, চকরিয়া উপজেলায় এবং অবশিষ্ট ৫ শতাংশ লবণ উৎপাদন হয় চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায়। গত মৌসুমে প্রাকৃতিক পরিবেশ অনুকূলে থাকায় দেশীয় উৎপাদিত লবণ দেশের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হয়েছে।
এমনকি অর্থবছরে উৎপাদিত লবণ চাহিদা মিটিয়ে বর্তমানে আরও ২ লক্ষ ২২ হাজার মেট্রিক টন লবন মজুদ রয়েছে। চলতি মৌসুমে প্রাকৃতিক পরিবেশ অনুকূলে থাকায় লবণ উৎপাদন প্রক্রিয়া ভালোভাবেই চলছে। প্রায় ৬৫ হাজার একর জমিতে লবণ উৎপাদন হয়, যা ক্রমান্বয়ে আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশীয় লবণ শিল্পের সাথে ৬৫ হাজার চাষীসহ ১০ লাখ মানুষ লবন শিল্পের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত।
চাষিরা জানিয়েছে কিন্তু এবছর মাঠ পর্যায়ে লবনের উদপাদন ভালো থাকা সত্বেও লবনের ন্যায্যামূল্য পাচ্ছে না। মাঠ পর্যায়ে বর্তমানে লবণ মন প্রতি বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা থেকে ২৩০ টাকা। অথচ এক মন লবনের উৎপাদন খরচ ৩০০ টাকা থেকে সাড়ে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত।
লবন মিল মালিকরা সিন্ডিকেট করে দেশীয় লবণ শিল্পকে ধ্বংস করার জন্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল লবণের নাম দিয়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করে লবণ আমদানির এলসি অনুমোদন করার পায়তারা করছে বলেও দাবী করেন তারা।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর