শিরোনাম :
মিয়ানমারের রাখাইনে সংঘাত: সীমান্ত অতিক্রম করে পালিয়ে আসলো রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর ৫২ জন সদস্য এনসিপি কক্সবাজারের উদ্যোগে শহিদ শরীফ ওসমান হাদী স্মরণসভা ও সাংগঠনিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ইপসা’র বীচ ক্লিনিং ক্যাম্পেইন প্রোগ্রামে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন কাকারায় অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই একর বনভূমি উদ্ধার চকরিয়ার সাংবাদিক এস.এম হান্নান শাহ আর নেই বাঁকখালী নদীতে থাকা সেন্টমার্টিনগামী ‘দ্যা আটলান্টিক জাহাজে আগুন: অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘুমন্ত শ্রমিক নিহত :তদন্ত কমিটি গঠন সামুদ্রিক শৈবাল চাষের গবেষণা বিষয়ক কর্মশালা মা মাটি ডাকছে, তারেক রহমান আসছে :কক্সবাজার থেকে ২০ হাজার নেতা কর্মী যাচ্ছে ঢাকায় কক্সবাজার–৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থিতা ঘোষণা করলেন পরিবেশ কর্মী ও কক্সবাজার মডেল পলিটিক্স”-এর উদ্যোক্তা মোঃ ইলিয়াছ মিয়া জেলায় ৪ টি আসন থেকে দলীয় ও স্বতন্ত্র সহ ৯জনের মনোনয়ন সংগ্রহ

শিক্ষিকাকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় আটক ৩

নিউজ রুম / ১১২ বার পড়ছে
আপলোড : শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:২০ পূর্বাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক:
কক্সবাজারে বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সঙ্গীত শিক্ষিকাকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার মামলার প্রধান আসামী সহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।
মঙ্গলবার রাতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হলেও বুধবারে দুপুরে এমন তথ্য এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে র‌্যাব।
ধৃতরা হলেন, পিএমখালী ইউনিয়নের ছনখোলা ইউনুছঘোনা গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে ও মামলার প্রধান আসামী বেদার মিয়া, ও তাঁর দুই সহযোগী একই ইউপির ৪ নং ওয়ার্ডের উত্তর তারাবনিয়ার ছড়া গ্রামের সিকদার বাড়ির দিল মোহাম্মদের ছেলে মোস্তাক মিয়া (২৪), এবং ঝিলংজা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের খরুলিয়ার মৃত রশিদ আহমদের ছেলে মোঃ বেলাল উদ্দিন (২২)।

পুলিশ সূত্র জানায়, শুক্রবার বিয়ে বাড়ি থেকে আসার পথে এক স্কুল শিক্ষিকাকে রাস্তা নিয়ে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে সোমববার মধ্যরাতে কক্সবাজার সদর থানায় একটি মামলা হয়। সেই মামলাতে বেদার মিয়ার নাম থাকলেও অন্য তিনজন অজ্ঞতনামা ছিল।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব ১৫ এর সহকারি পুলিশ সুপার মো. বিল্লাল উদ্দিন বলেন, ১৮ আগস্ট রাতে পিএমখালীতে অবস্থিত একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে ভিকটিমের সাথে মামলার প্রধান অভিযুক্ত বেদার মিয়ার (২৮) পরিচয় হয়। এরপর ১৯ আগস্ট সকালে চাঁন্দেরপাড়া এলাকায় নির্মানাধীন ভবনের নিচ তলার ঘরে আটকে রেখে বেদার মিয়া আরো তিন সহযোগী ভিকটিমকে অস্ত্রের মুখে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে। এঘটনায় ২৩ আগস্ট ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। আমরা মামলা দায়ের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই আসামীদের গ্রেফতার করি।
তিনি আরো বলেন, প্রধান আসামী ও তার সহযোগীরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গণধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। তাদেরকে কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর