শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ

একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু শোক কিভাবে সইবেন জাফর আলম

নিউজ রুম / ১৩৬ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন

সোয়েব সাঈদ :

রেল-সিএনজি সংঘর্ষের পর রেল লাইনের এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে ২ মেয়ে আর ২ নাতির ক্ষতবিক্ষত মরদেহ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পরিবারের চার সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু নিশ্চিত হয়ে বুকফাটা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন ৫৫ বছর বয়সী জাফর আলম।

শনিবার দুপুরে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রেল সড়কে ঢাকাগামী কক্সবাজার এক্সপ্রেসের ধাক্কায় দূর্ঘনায় প্রাণ হারান জাফর আলমের মেয়ে আসমাউল হোসনা (২৭) ও রেনু আক্তার (১৩), আসমাউল হোসনার ছেলে দুই ছেলে আতা উল্লাহ (১) ও আশেক উল্লাহ (৩)। সিএনজি চালক হাবিব উল্লাহও এ ঘটনায় প্রাণ হারান।

জাফর আলম জানান- বড় মেয়ে আসমাউল হোসনার শশুর বাড়ি কক্সবাজার সদর উপজেলার কালিরছড়া এলাকায়। সম্প্রতি পৈত্রিক বাড়িতে বেড়ানো শেষে দুই ছেলে আর ছোট বোন রেনুকে নিয়ে যাচ্ছিলেন শশুর বাড়ি। দূর্ঘটনার আধঘন্টা আগেও পুরো বাড়ি মুখরিত করে রেখেছিলো তার দুই নাতি আশেক উল্লাহ ও আতা উল্লাহ। একদিকে দুই মেয়ে আর অন্যদিকে ২ নাতির মৃত্যুর এ শোক তিনি কিভাবে সইবেন, এসব কথা বলতে বলতে তিনি বুকের উপর হাত চাপড়াতে থাকেন। জাফর আলমের এ আর্তনাদে দূর্ঘটনাস্থলে আসা মানুষের চোখও হয়ে উঠে অশ্রুসজল।

শনিবার (২ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে কক্সবাজারের রামু উপজেলার রশিদনগর ইউনিয়নের ধলিরছড়া রেলক্রসিং পারাপার স্থানে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় তাদের সিএনজি অটোরিক্সাটি ধলিরছড়া রেলক্রসিং পারাপারের সময়ে আকষ্মিক চট্টগ্রাম মুখি একটি ট্রেন, তাদের অটোরিক্সাকে মুখোমুখি ধাক্কা দেয়। চলন্ত ট্রেনের সামনে আটকেপড়া দুমড়ে মুচড়ে পড়া অটোরিক্সাটিকে এক-দেড় কিলোমিটার দূরে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার দুই মেয়ে ও দুই নাতি সহ সিএনজি অটোরিক্সা চালক নিহত হন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তৈয়বুর রহমান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শনিবার দুপুরে কক্সবাজার থেকে একটি ট্রেন চট্টগ্রামের দিকে ছেড়ে যাচ্ছিল। এসময় ক্রসিং দিয়ে রেলপথ পার হচ্ছিল একটি যাত্রীবাহী সিএনজি অটোরিক্সা। চলন্ত ট্রেনটি অটোরিক্সাকে সরাসরি ধাক্কা দিলে, অটোরিকশাটি ট্রেনের সাথে আটকে পড়ে। অটোরিকশাটি দুমড়ে মুচড়ে যাত্রীরা পিষ্ট হয়ে যায়। এতে তাদের শরীরের অংশ ছিঁড়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে রেললাইনের ছড়িয়ে পড়ে। অবিলম্বে ট্রেন পারাপার স্থানে রেল গেইট স্থাপন সহ স্থায়ী ভাবে গেইটম্যান নিয়োগ দেয়ার দাবী জানিয়েছে স্থানীয়রা।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর