শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ

কক্সবাজারের সন্তান মাহমুদ দিদারের ‘বিউটি সার্কাস’ আসছে বড় পর্দায়

নিউজ রুম / ১৬৮ বার পড়ছে
আপলোড : শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন

বিডি বিনোদন প্রতিবেদক :অবশেষে চূড়ান্ত হলো বহুল প্রতীক্ষিত ইমপ্রেস টেলিফিল্মের চলচ্চিত্র ‘বিউটি সার্কাস’ এর মুক্তির দিনক্ষণ। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে চলচ্চিত্রটি।বাংলাদেশ সরকারের অনুদানপ্রাপ্ত (২০১৪-১৫) ও ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত চলচ্চিত্রটি নিবেদন করছে বসুন্ধরা গুঁড়া মশলা।৩১ আগস্ট রাতে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ এর হাতে চলচ্চিত্রটির পোস্টার তুলে দেয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চলচ্চিত্রের প্রচারণা শুরু করেন এর নির্মাতা মাহমুদ দিদার।মাহমুদ দিদার বলেন, “মুক্তির আগেই ‘বিউটি সার্কাস’ নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা ও ভালোবাসা অভাবনীয়। চলচ্চিত্রটি নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিনের লড়াই শেষ হতে যাচ্ছে। যেহেতু সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র সে কারণেই সরকারের প্রতি দায়বোধ থেকে আমরা মাননীয় তথ্যমন্ত্রীর হাতে আমার ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ইমপ্রেস টেলিফিল্মের পক্ষ থেকে চলচ্চিত্রটির অফিসিয়াল পোস্টারটি উপহার দেই।”
দিদার বলেন, চলচ্চিত্রটির নির্মাণের দীর্ঘযাত্রায় তথ্যমন্ত্রণালয়ের সহযোগিতার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর চলচ্চিত্রটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে। আশা করছি আমাদের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারক এই দারুণ চলচ্চিত্রটি দর্শক উপভোগ করবেন সিনেমা হলে গিয়ে।
নির্মাতা জানান, ১ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় চলচ্চিত্রটির পোস্টার উন্মোচিত হবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।২০১৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি নওগাঁর সাপাহার ও মানিকগঞ্জে সার্কাসের বিশাল যজ্ঞে দুইশত জনের নির্মাণ সঙ্গী নিয়ে প্রায় দুই হাজার গ্রামবাসীর অংশগ্রহণে চিত্রধারণের কাজ করেন নির্মাতা। এর জন্য নির্মাতা বিশাল সার্কাস প্যান্ডেল নির্মাণ ও গ্রাম্যমেলার আয়োজন করেন।

২০১৭ সালে নির্মাণ শুরু হলেও চলচ্চিত্রটির ব্যাপ্তী ও নির্মাণের বৃহৎ আয়োজন সম্পন্ন করতে প্রায় পাঁচ বছর সময় লাগে নির্মাতার। করোনা মহামাহারির কারনেও পিছিয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্রটির মুক্তি। অবশেষে রুপালী পর্দায় ধরা পড়তে যাচ্ছে তারকাবহুল চলচ্চিত্রটি।
চলচ্চিত্রটির মধ্য দিয়ে ‘অলাতচক্র’র পর দেশের বড়পর্দায় আবারও হাজির হচ্ছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। চলচ্চিত্রটির অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ, তৌকির আহমেদ, এবিএম সুমন, শতাব্দী ওয়াদুদ, গাজী রাকায়েত, হুমায়ূন সাধু, মানিসা অর্চি, প্রমুখ।
চলচ্চিত্রটিতে ব্যবহৃত হয়েছে তিনটি গান। গানগুলো গেয়েছেন চিরকুট ব্যান্ডের শারমিন সুলতানা সুমী, অ্যাশেজ ব্যান্ডের ইভান ও টুনটুন বাউল।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর