শিরোনাম :
স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ যুক্তির লড়াইয়ে মুখর কুতুবদিয়া দ্বীপ চ্যানেল ওয়ানের কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন এফ এম সুমন উখিয়ায় সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু গবেষণা-ভিত্তিক আচরণ পরিবর্তনে প্রমাণভিত্তিক উদ্যোগের কর্মশালা কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শনে বিডিআরসিএস চেয়ারম্যান সাবেক র‍্যাব কর্মকর্তার অপরাধকর্মের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেওয়ায় সাংবাদিককে হুমকি

আজমির শরীফ জিয়ারতের মধ্য দিয়ে ভারত সফর শেষ করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজ রুম / ১৫৭ বার পড়ছে
আপলোড : শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন

বিডি ডেস্ক :খাজা গরীবে নেওয়াজ দরগা শরিফ জিয়ারত ও প্রার্থনার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজস্থানে তার চার দিনের ভারত সফর শেষ করলেন। বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে রাজস্থানের জয়পুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। এর আগে ফ্লাইটটি সকাল ৯টা ১২ মিনিটে নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দর থেকে জয়পুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সেখানে নফল নামাজ ও মুনাজাতের মাধ্যমে দেশ, জনগণ ও মুসলিম উম্মাহ’র উন্নতি, সমৃদ্ধ ও কল্যাণ কামনা করেন।’ তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী সেখানে কিছু সময় থাকেন। এ সময় তিনি ফাতিহা পাঠ ও মুনাজাত করেন। এরপর শেখ হাসিনা আজমির শরিফ প্রদক্ষিণ করেন।
৬ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লীতে নিজামউদ্দিন আউলিয়ার দরগাহ জিয়ারত ও সেখানে প্রার্থনার মাধ্যমে তার ভারত সফর শুরু করেন। তিনি সেখানেও প্রার্থনা করেন। এর আগে, ৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নয়াদিল্লীর পালাম বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখানে শেখ হাসিনাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
ভারত সফরের প্রথম দিন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শংকর মৌর্য্য হোটেলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর স্যুইটের সম্মেলন কক্ষে তার সঙ্গে দেখা করেন। ৬ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দিনের সফরে শেখ হাসিনা হায়দরাবাদ হাউসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও একান্ত বৈঠক করেন। নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান এবং তাকে আনুষ্ঠানিক গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর অভিন্ন সীমান্ত নদী কুশিয়ারা থেকে ১৫৩ কিউসেক পানি প্রত্যাহারসহ নিকটতম প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সাতটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। দুই প্রধানমন্ত্রী দু’দেশের যৌথ উদ্যোগের বেশ কয়েকটি প্রকল্প উদ্বোধন করেন। এর মধ্যে খুলনার রামপালে ১৩২০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে।
পরে যৌথ বিবৃতিতে ভারত বাংলাদেশি পণ্য তৃতীয় কোনো দেশের রপ্তানির জন্য ফ্রি ট্রানজিটের প্রস্তাব দেয়। শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি দু’দেশের মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই দিন শেখ হাসিনা তার সম্মানে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আয়োজিত মধ্যহ্নভোজে যোগ দেন।
তিনি ওইদিন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও উপ-রাষ্ট্রপতি জাগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান।
৭ সেপ্টেম্বর ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের উন্নয়ন মন্ত্রী জি কিষান রেড্ডি, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং নোবেল বিজয়ী কৈলাশ সত্যার্থী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পৃথকভাবে সাক্ষাৎ করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল (বুধবার) শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বা গুরুতর আহত ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর অফিসারদের বংশধরদের ‘মুজিব বৃত্তি’ প্রদান অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর