শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর না করা: কূটনৈতিক দূরদর্শিতার একটি বার্তা কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপি সরকার মানুষের উন্নয়নের রাজনীতি করে-প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনবল নিয়োগ বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ভোলায় মানববন্ধন: প্রাকৃতিক জলাশয় রক্ষা ও প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়নের দাবি Speakers’ demands at the World Environment Day 2026 human chain. Save water bodies, prevent groundwater depletion কক্সবাজারে পাতলী খাল পরিদর্শন করলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি কক্সবাজারের মহেশখালীর মানুষের মুখে হাসি ফুটালো আইএসডিই বাংলাদেশ সড়কের আশপাশে পশুর হাট বসলে আইনি ব্যবস্থা -এমপি কাজল চকরিয়ায় বি.এম চর ইউনিয়নে ১৫শ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিল আইএসডিই বাংলাদেশ

চকরিয়া উপজেলার প্রশাসনের জায়গা দখলে নিল আদালত ভবনের কর্মচারী ও আইনজীবিরাঃহেনস্তা হলো সাংবাদিক

নিউজ রুম / ১৭২ বার পড়ছে
আপলোড : মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন

চকরিয়া  প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার প্রশাসনের খালি জায়গাটি প্রয়োজন বোধে পরিকল্পিত ভাবে দখল করতে নামে আদালতের কর্মচারী ও আইনজীবিরা।এসময় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে বাঁধা দিলে শুরু হয় তুমুল বাকবিতন্ডা।এক পর্যায়ে দু’গ্রুপের মধ্যে ঠেলাঠেলি হলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিক কে এম নাসির উদ্দিন পেশাগত দায়িত্ব পালন করার লক্ষ্যে ছবি,ভিডিও নেওয়ার চেষ্ঠাকালে তাকে মারধর ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে আদালতের কর্মচারী ও আইনজীবিদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় চকরিয়ায় কর্মবত সাংবাদিকদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। অভিযুক্তদের বিচার দাবী জানান সাংবাদিকেরা। আহত নাসির উদ্দিন কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক বাঁকখালী পত্রিকার চকরিয়া প্রতিনিধি। জানা যায়, বুধবার বেলা ১২টার দিকে চকরিয়া উপজেলা পরিষদের সামনে ‘চকরিয়া আদালত ভবনের সম্ভাব্য স্থান’ ব্যানার দিয়ে স্থানীয় আইনজীবী ও মুহুরীরা টিনের ঘেরাবেড়া দেয়ার চেষ্টা করে। এসময় পেশাগত কারণে ছবি তোলতে গিয়ে সাংবাদিক কেএম নাসির উদ্দিনকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে এবং তার মোবাইল কেড়ে নেয়া হয়। আহত নাসির উদ্দিন চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। এদিকে, সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনায় চকরিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা পেশাগত কাজে বাঁধা দিয়ে হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন। তারা এই হামলার সাথে জড়িতদের বিচার দাবী জানান। এ ঘটনায় চকরিয়া আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট হাবিব উদ্দিন মিন্টু থেকে জানতে চাইলে তিনি কোন ধরনের বক্তব্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এদিকে, চকরিয়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের সেরেস্তাদার পরেশ কান্তি দে জানান, কতিপয় ব্যক্তি আদালত সংলগ্ন আদালতের জমি দখল করতে ইট বালি স্তুপ করে আদালত ঘেঁষে খুঁটি দেয়া শুরু করলে, আদালতে দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইনজীবী সমিতির সদস্যগণ আদালতের নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের দখল কাজে বাঁধা প্রদান করেন। পরবর্তীতে অরক্ষিত জায়গা সুরক্ষিত করার লক্ষ্যে আদালত ও আইনজীবী সমিতির সদস্যগণ টিনের বেড়া দিয়ে আদালতের জমি বেদখল হতে রক্ষা করেন। চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, চকরিয়া আদালত ভবনের নামে আলাদা কোন জমি নেই। উপজেলা পরিষদের নামে ১৯৬৫ সালে অধিগ্রহণ করা ১২ একর জমি রয়েছে। ওইসব জমির মধ্যে সরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্টানের ভবন রয়েছে। আদালত ভবনের জমিটিও উপজেলা পরিষদের নামে অধিগ্রহণ করা। বিএস জরিপের সময় বিআরডিবি’র নামে ৮২ শতক জমি রেকর্ড হয়। উপজেলা পরিষদ এই ভুল জরিপের বিরুদ্ধে আদালতের শরপান্ন হবে। তাছাড়া বিআরডিবি অফিসও উপজেলা পরিষদের আওতাধীন।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর