শিরোনাম :
নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া

সোনালীকে খুনের ছক কষেছিলেন…

নিউজ রুম / ১৩৪ বার পড়ছে
আপলোড : সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন

বিডি বিনোদন প্রতিবেদক :
অভিনেত্রী সোনালী ফোগাটের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় সামনে এলো নতুন তথ্য। সূত্রের বরাতে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে খবর, সোনালীকে হত্যার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন তারই ব্যক্তিগত সহকারী অভিযুক্ত সুধীর সাঙ্গওয়ান।জেরায় সুধীর জানিয়েছেন, অভিনেত্রীকে হত্যার ছক কষেছিলেন তিনি। পুলিশ বলছে, ফটোশুটের নাম করে গুরুগ্রাম থেকে গোয়ায় সোনালীকে নিয়ে যান সুধীর। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে এক সূত্র বলেছেন, ‘‘গোয়ায় ফটোশুটের কোন পরিকল্পনাই ছিল না। মূলত সোনালীকে হত্যা করতেই ছক কষেছিলেন সুধীর ও তার সহযোগীরা। পুলিশি জেরায় এ কথা বলেছেন সুধীর।’’গত ২৩ আগস্ট গোয়ায় মৃত্যু হয় সোনালীর। প্রথমে জানা যায়, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। কিন্তু তাকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ জানান পরিবারের সদস্যরা। এরপরই সোনালীর মৃত্যু ঘিরে রহস্য দানা বাঁধে।তদন্তে নেমে সোনালীর ব্যক্তিগত সহকারী সুধীর ও আরও এক সহযোগী সুখবিন্দর সিংহ, এক রেস্তোরা মালিক এডউইন নুনেজ এবং সেই সঙ্গে দত্তপ্রসাদ গাওঁকর ও রামদাস মান্দ্রেকর নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেন পুলিশ। জানা গেছে, মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগে গোয়ায় একটি রেস্তোরায় ছিলেন সোনালী। গোয়ার সেই রেস্তোরার সিসিটিভি ফুটেজও পেয়েছে পুলিশ।
যেখানে দেখা গেছে, এলোমেলো পা ফেলে রেস্তোরা থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন সোনালী। ঠিক মতো হাঁটতেও পারছিলেন না তিনি। দেখা গেছে, সহকারীর কাঁধে ভর দিয়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিলেন তিনি।
মূলত সোনালীর খাবার পানীয়ের মধ্যে অভিযুক্তরা ১.৫ গ্রাম ‘এমডিএমএ’ নামক এক ধরনের মাদক মিশিয়েছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই মাদক মেশানো পানীয় পান করার পরই অসুস্থ বোধ করতে থাকেন সোনালী। তাকে হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। ইতিমধ্যেই উদ্ধার হওয়া পানির বোতলেও ওই মাদকের সামান্য চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর