শিরোনাম :
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ যুক্তির লড়াইয়ে মুখর কুতুবদিয়া দ্বীপ

অপহৃত ৬ রোহিঙ্গা ২১ ঘন্টা পর মুক্তিপণ দিয়ে’ ফিরেছে

নিউজ রুম / ১৪১ বার পড়ছে
আপলোড : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন

রুমি শংকর :
কক্সবাজারে টেকনাফের একটি সড়ক থেকে অপহৃত ছয় রোহিঙ্গা ঘটনার ২১ ঘন্টা পর ‘তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে’ ফিরেছে; এতে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন-এপিবিএন।

রোহিঙ্গা শিবিরের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ১৬ এপিবিএন এর সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, শনিবার বিকালে অপহৃতরা মুক্তিপণ আদায় করেন। পরে সন্ধ্যা ৬ টায় তারা টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের চাকমারকূল ২১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিজেদের ঘরে ফিরেছেন।

গ্রেপ্তার মোহাম্মদ বেলাল (৩৫) টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের চাকমারকূল এলাকার জালাল আহমদের ছেলে।

উদ্ধাররা হল, টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের চাকমারকূল ২১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-ব্লকের বাসিন্দা আমির হাকিমের ছেলে মোহাম্মদ ফরোয়াজ (৩৮) ও তার ভাই মোহাম্মদ জোহার (৩০), মোহাম্মদ ইসলামের ছেলে মোহাম্মদ নুর (৩৫), আবুল হোসেনের ছেলে নুরুল হক (৩০), ইউছুফ আলীর ছেলে জাহিদ হোসেন (৩৫) এবং একই ক্যাম্পের সি-ব্লকের আব্দুস সালামের ছেলে মোহাম্মদ ইদ্রিস (১৯)।

শুক্রবার রাতে টেকনাফের চাকমারকূল ২১ নম্বর ক্যাম্প থেকে ছয় রোহিঙ্গা দিনমজুরী কাজের জন্য ঘর থেকে বের হন। তারা কাঁটাতারে ঘেরা ক্যাম্পের চোরাই পথ দিয়ে বের হয় হয়ে শহীদ এটিএম জাফর আলম আরাকান সড়কে (কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক) উঠেন।

এক পর্যায়ে উলুবনিয়া স্টেশনে পৌঁছার আগেই অটোরিকশা যোগে একদল দূর্বৃত্ত অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে তাদের টেকনাফের হ্নীলা এলাকার দিকে নিয়ে যায় অপহরণকারিরা।

স্বজনদের বরাতে এপিবিএন জানিয়েছিল, ঘটনার খবর পেয়ে এপিবিএন পুলিশ শুক্রবার রাতেই অপহৃতের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। শনিবার সকালে অপহৃত ৩ জনের স্বজনের মোবাইল ফোনে কল দিয়ে জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করেছে।

মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে অপহৃতদের উদ্ধার এবং ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত ছিল।

এএসপি মঞ্জুরুল বলেন, শনিবার বিকালে অপহৃতের স্বজনরা তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করেন অপহরণকারি চক্রের সদস্যদের কাছে। পরে তাদের (অপহৃত) ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ৬ টায় তারা চাকমারকূল ২১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিজেদের ঘরে ফিরেছেন।

” অপহৃতরা ক্যাম্পে ফিরে আসার খবর পেয়ে এপিবিএন সদস্যরা তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেন। এসময় ভূক্তভোগী ও স্বজনরা তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পাওয়ার তথ্য জানিয়েছেন। ”

এপিবিএন এর সহকারি পুলিশ সুপার বলেন, ” ভূক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য মতে, শনিবার সন্ধ্যা ৭ টায় হোয়াইক্যং ইউনিয়নের চাকমারকূল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মোহাম্মদ বেলাল নামের স্থানীয় এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ”

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার বেলালসহ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে টেকনাফ থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান মঞ্জুরুল ইসলাম।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর