শিরোনাম :
গবেষণা-ভিত্তিক আচরণ পরিবর্তনে প্রমাণভিত্তিক উদ্যোগের কর্মশালা কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শনে বিডিআরসিএস চেয়ারম্যান সাবেক র‍্যাব কর্মকর্তার অপরাধকর্মের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেওয়ায় সাংবাদিককে হুমকি কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আতাহার ইকবালের ইন্তেকাল : বিভিন্ন মহলের শোক টানা বৃষ্টিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় সবজির বাজারে অস্থিরতা ইংরেজি অলিম্পিয়াডে যুক্তরাজ্য হতে সমুদ্রকন্যা ফিরলেন মেডেল হাতে মহেশখালীর বন্যাকবলিত ৭০০ পরিবারকে সিপিজিসিবিএলের ত্রাণ সহায়তা সাতকানিয়ায় বন্যার্ত ৮৫০ মানুষকে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক মাদ্রাসাভবনের ওপর পাহাড় ধসে পাঁচ শিক্ষার্থী নিহত উখিয়ায় অতিবৃষ্টিতে মাটির দেয়াল ধসে দিনমজুর নিহত

উখিয়ার আশ্রয় শিবিরে এপিবিএন পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনায় আরসা’র এক সন্ত্রাসী নিহত

নিউজ রুম / ১৫৯ বার পড়ছে
আপলোড : শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
কক্সবাজারে উখিয়ার আশ্রয় শিবিরে এপিবিএন পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনায় আরসা’র এক সন্ত্রাসী নিহত এবং পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছে; এসময় অস্ত্র ও গুলিসহ আরসা’র তিন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের দাবি, নিহত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্টি আরসা’র কমান্ডার।
রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ জানান, মঙ্গলবার সকালে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ১৯ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের এ-৮ ব্লকে এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত আব্দুল মজিদ ওরফে লালাইয়া (৩৫) উখিয়ার তানজিমারখোলা ১৩ নম্বর আশ্রয় শিবিরের ই-৩ ব্লকের বাসিন্দা নুরুল আমিনের ছেলে। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ নানা অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তাররা হল- উখিয়ার ঘোনারপাড়া ১৯ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের এ-১৭ ব্লকের মৃত ছৈয়দ হোসেনের ছেলে জামাল হোসেন (২০) এবং একই ক্যাম্পের এ-৮ ব্লকের কাশেম আলীর ছেলে মোহাম্মদ তাহের (৪৫) ও মোহাম্মদ সলিমুল্লাহ’র ছেলে লিয়াকত আলী (২৫)।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে খুন, অপহরণ ও ডাকাতিসহ নানা অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে জানায় পুলিশ।
তবে ঘটনা আহত পুলিশ সদস্য নাম জানা সম্ভব হয়নি।
এএসপি ফারুক আহমেদ বলেন, সকালে উখিয়ার ঘোনারপাড়া ১৯ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের এ-৮ ব্লকে জনৈক আমিন মাঝির বসত ঘরের আশপাশে স্থানীয় কয়েকটি ঘরে কতিপয় অস্ত্রধারী লোকজন অপরাধ সংঘটনের উদ্দ্যেশে জড়ো হয়েছে খবরে এপিবিএন এর একটি দল অভিযান চালায়। এক পর্যায়ে সন্দেহজনক কয়েকটি ঘর ঘিরে ফেললে জনৈকা হামিদা বেগমের বসত ঘর এবং আশপাশের গলি ও পাহাড় থেকে ৪০ থেকে ৫০ জন আরসা সন্ত্রাসী পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। এতে আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়ে। গোলাগুলির এক পর্যায়ে আরসা’র সদস্যরা বিভিন্ন দিকে পালিয়ে যায়। ঘটনায় এপিবিএন পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছে।
” পরে হামিদা বেগমের বসত ঘর থেকে আরসা’র তিন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার এবং পাশের একটি কক্ষ থেকে একজনের গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে পাওয়া যায় দেশিয় তৈরী একটি বন্দুক ও দুইটি গুলি। ”
এএসপি বলেন, ” নিহত আরসা’র কমান্ডার আব্দুল মজিদ রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে সংঘটিত ৪ টি হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত আসামি। এছাড়া গ্রেপ্তার রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। ”
নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর