শিরোনাম :
কোটা আন্দোলন : কক্সবাজারে আওয়ামীলীগ, জাসদ, জাতীয় পার্টির কার্যালয়, মসজিদ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গাড়ি ভাংচুর; ছাত্রলীগ ৪ নেতাকে মারধর কক্সবাজারে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের বিক্ষোভ মিছিল চট্টগ্রামে কোটা আন্দোলনে সংর্ঘষে নিহত ছাত্র আকরামের বাড়ী কক্সবাজারের পেকুয়ায় পেকুয়ায় দূর্যোগ প্রস্তুতি ও সাড়াদান বিষয়ক কর্মশালা ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার পর্যটন শহরেও উত্তাপ ছড়ালো কোটা আন্দোলনকারীরা উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব ১৫ জুলাই টেকনাফে জেন্ডার ও বিরোধ সংবেদনশীল সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ মিয়ানমারের বিকট শব্দে আতংকে টেকনাফবাসী টেকনাফে ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন

মোসাদের সাথে গোপন আঁতাত কারীদের আইনের আওতায় আনা হোক-কবির বিন আনোয়ার

নিউজ রুম / ৩ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ০২:১৪ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
কক্সবাজারে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে জেলা আওয়ামী লীগ। শুক্রবার সকাল থেকে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি সম্পন্ন করে দলটি।
এর মধ্যে সকালে শহরের লালদিঘীর পাড়স্থ দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় এবং দলীয় পতাকা উত্তোলন শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।
বিকেলে পাবলিক লাইব্রেরির শহীদ সুভাষ হলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়৷
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান কবির বিন আনোয়ার।
ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সাথে গোপন আঁতাত করে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুর এবং তারেক রহমান রাষ্ট্রদ্রোহী যে অপরাধ করেছে তার তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে স্বাধীন করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়িত হয়েছে। এখন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে যতো চ্যালেঞ্জই আসুক না কেন, ৭৪ বছরের পরিপক্ষিত আওয়ামী লীগ তা মোকাবিলা করেই এগিয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। তবে ষড়যন্ত্রের মধ্যেই আওয়ামী লীগ বারবার মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। ’৪৭-এর দেশ বিভাগ, ’৫২-র ভাষা আন্দোলন, ’৬২-র ছাত্র আন্দোলন, ’৬৬-র ছয় দফা, ’৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান, ’৭০-এর যুগান্তকারী নির্বাচন আর ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা আন্দোলন-সবখানেই সরব উপস্থিতি ছিল আওয়ামী লীগের। আর এসবের অধিকাংশ আন্দোলনের কৃতিত্ব এককভাবে আওয়ামী লীগের।
সভায় জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যাপিকা এথিন রাখাইন, রেজাউল করিম, সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি, মাহবুবুল হক মুকুল, এড. রনজিত দাশ, নুরুল আবছার, এড. মমতাজ আহমদ, নাজনীন সরওয়ার কাবেরী, কাজী মোস্তাক আহমেদ শামীম, এড. তাপস রক্ষিত, ইউনুচ বাঙ্গালী, কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন কবির, কাউন্সিলর এম.এ মমজুর, পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি নজিবুল ইসলাম, আনিসুল হক চৌধুরী, নুরুল আজিম কনক, জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি সোহেল আহমদ বাহদুর, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. ছৈয়দ রেজাউর রহমান, জসিম উদ্দিন, আসিফ উল মওলা, পরিমল দাশ, কাউন্সিলর সালাউদ্দিন সেতু, শ্রমিকলীগ নেতা শফিউল্লাহ আনসারী, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা শাহনেওয়াজ ও যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক তাসলিমা আক্তার রুমানা বক্তব্য রাখেন।
আলোচনা সভা শেষে বিশাল একটি কেক কাটা হয়।
এসময় বিভিন্ন সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর