শিরোনাম :
কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপি সরকার মানুষের উন্নয়নের রাজনীতি করে-প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনবল নিয়োগ বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ভোলায় মানববন্ধন: প্রাকৃতিক জলাশয় রক্ষা ও প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়নের দাবি Speakers’ demands at the World Environment Day 2026 human chain. Save water bodies, prevent groundwater depletion কক্সবাজারে পাতলী খাল পরিদর্শন করলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি কক্সবাজারের মহেশখালীর মানুষের মুখে হাসি ফুটালো আইএসডিই বাংলাদেশ সড়কের আশপাশে পশুর হাট বসলে আইনি ব্যবস্থা -এমপি কাজল চকরিয়ায় বি.এম চর ইউনিয়নে ১৫শ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিল আইএসডিই বাংলাদেশ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইউএনএইচসিআর এর স্থায়ী শেল্টার নির্মাণ জনমতের বিরুদ্ধে

টুরিস্ট পুলিশের প্রশংসনীয় উদ্যোগ : পর্যটক বেশে ধরলো ১৯ দালাল

নিউজ রুম / ১৬৮ বার পড়ছে
আপলোড : রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন

নুরুল আলম :
কক্সবাজারে আগত পর্যটকদের নানাভাবে হয়রানি করা হয়। বিশেষ করে ভোরে যানবাহনে আসা পর্যটকদের নিয়ে শুরু হয় টানাটানি। পর্যটকদের হয়রানি রোদে ও নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে একের পর এক প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করে কাজ করে যাচ্ছে টুরিস্ট পুলিশ।
শুক্রবার ভোর ৫ টা। সমুদ্র শহর কক্সবাজারে প্রবেশ করতে শুরু করেছে দূরপাল্লার বাস। এসব বাসের যাত্রী হয়েই শহরের একটু বাইরে থেকেই পর্যটকের বেশ ধরে আসে কক্সবাজার ট্যুরিষ্ট পুলিশের সদস্যরা।গাড়ি থেকে নামতেই পর্যটক ভেবেই তাদেরকে নিয়ে টানাহ্যাচড়া শুরু করে পর্যটন জোনের দালাল চক্রের সদস্যরা। তখনই ট্যুরিষ্ট পুলিশ কক্সবাজার শহরের কলাতলীর হোটেল মোটেল জোনের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ১৯ জন দালালকে আটক করে।
ধৃতরা হলেন- জাফর আলম (৩৮), মো. আব্দুলাহ (১৮), ইসমাইল (২৪), ইব্রাহীম (৩৭), নুর আলম (২৬), চাঁদ মিয়া (১৯), নজু আলম (৩৫), রুবেল (২৬), জুয়েল মিয়া (৩২), সাদেকুর (২৬), সৈয়দ নুর (৩০), সাহিদ (২৬), হেলাল উদ্দিন (৪০), সাগর (২৩), গিয়াস উদ্দিন (৩৩), সৈয়দ আলম (৩৬), মো. হোসেন (৪৭), রবিউল হাসান (২০), ও ইমরান (২১)।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল করিম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অটোরিকশার চালকের বেশ ধরে একটি চক্র পর্যটকদের হয়রানি করে আসছে। তারা পর্যটকদের অল্প ভাড়ায় ভালো হোটেলে নিয়ে যাবে বলে তাদের চুক্তি করা হোটেলে নিয়ে যেত এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ ব্ল্যাকমেইল করত। এই চক্রের কিছু সদস্য পর্যটকদের ফাঁদে ফেলে আপত্তিকর ছবি তুলে টাকা হাতিয়ে নিত। এসব অভিযোগ নিয়ে গণমাধ্যমে বেশ কিছু প্রতিবেদন ও প্রকাশিত হয়। এরপর বেশ কিছুদিন ধরে একটা পরিকল্পনা করে আজ থেকে কাজ শুরু করলাম।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল করিম আরো বলেন, আটকরা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন তারা দীর্ঘদিন ধরে এ কাজ করছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রেজিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, আমরা কক্সবাজারে পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে চাই। যেসব বিষয়ের পর্যটকদের হয়রানি করা হয়, সেইসব বিষয়গুলো নিয়ে আমরা কাজ করব। কক্সবাজারকে একটি পর্যটক বান্ধব পর্যটন নগরী গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা ও কামনা করেছেন এ পুলিশ কর্মকর্তা।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর