শিরোনাম :
কক্সবাজারে নয়ন সাধু নামে এক সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা সেই ইউপি সদস্য রুস্তম আলী অবশেষে মুক্ত টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর বিশেষ অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত ও একাধিক মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার রামুতে সাড়ে ২৪ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২ তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি

চকরিয়া থেকে ১২ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নিউজ রুম / ১৫৫ বার পড়ছে
আপলোড : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :

কক্সবাজারের চকরিয়ায় জেলের ছদ্মবেশে একদল পুলিশ নৌপথে অভিযান চালিয়ে এবছরের সবচেয়ে বৃহৎ ইয়াবার চালান উদ্ধার করেছে।
চকরিয়ার ইতিহাসে রেকর্ড পরিমান  ১২ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে এই অভিযানে। তবে মাদক পাচারকারী চক্রের নেতা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যাওয়াই কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। মামলা হয়েছে অজ্ঞতা আসামীর বিরুদ্ধে। পুলিশ উদ্ধার যে পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার দেখিয়েছে তার চেয়ে চালানে আরো বেশি ছিল বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।


রবিবার রাত ১০ টা থেকে সোমবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ১০ টা পর্যন্ত উপজেলার খুটাখালীস্থ নদীতে এ অভিযান চালানো হয়।
ইয়াবা উদ্ধারের বিষয় নিয়ে সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে কক্সবাজার জেলা পুলিশ এসব তথ্য জানান।
কক্সবাজার জেলা পুলিশের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মাহফুজুল ইসলাম পিপিএম বলেন, এটা একটা ইন্টারলেইট অপারেশন। সাম্প্রতিক সময়ে জেলা পুলিশ যেসব অভিযান চালিয়েছে তার মধ্যে এটি সর্ববৃহৎ ইয়াবার চালান। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমাদের কাছে খবর আসে ইবার একটি বড় চালান যাচ্ছে আগের পথে। কয়েকদিন যাবত আমরা এ বিষয়টির উপর নজর রাখছিলাম। চকরিয়া সার্কেলের এএসপি রকিবুর রাজা ও চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে একটি টিম, স্থল এবং জলপথের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেন। এরপর তারা অভিযান চালায়। সোমবার ভোরের আলো ফুটার পর একটি নৌকাকে সনাক্ত করা হয়। তো তোর সাথে সেই নৌকার সবকিছু মিলে যাওয়ার পর ওই নৌকায় অভিযান শুরু করার পর, মাদক পাচারকারীরা পানিতে লাফ দিয়ে পড়ে পাশের প্যারাবনে প্রবেশ করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে এই নৌকা চার্জ করে নৌকার পাটাতনের ভেতর বিশেষ কায়দায় রাখা প্লাস্টিকের ড্রাম উদ্ধার করে। এগুলো অনেক ওজনের ভারী ছিল। পরবর্তী এসব প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১২৫ কার্ড‌ অর্থাৎ ১২ লক্ষ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার এবং সিজ করা হয়।


এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, রবিবার রাতে একাধিক বিশ্বস্ত সোর্স থেকে খবর আসে সাগরপথ হয়ে একটি ট্রলারে করে খুটাখালী নদী পথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা পাচার হচ্ছে। এ খবর পাওয়া মাত্রই চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রকীব উর রাজাসহ আমি নিজে পুলিশের একাধিক টিম নিয়ে জেলের ছদ্মবেশ ধারণ করে অভিযান শুরু করি।
তিনি আরও বলেন, মাদক পাচারকারীদের ট্রলারটি ধাওয়া করলে পাচারকারীরা ধাওয়ার মুখে পড়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়। ওইসময় মাদক পাচারকারীদের রেখে যাওয়া ট্রলার জব্দ করা হয়। ট্রলারে তল্লাশি করে ইয়াবা ভর্তি মাঝারি সাইজের ৫ টি ড্রাম উদ্ধার হয়। যা গণনা করলে ১২ হাজার ৫০ হাজার পিস ইয়াবা। যার আনুমানিক মূল্য ৩৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
পুলিশ সুপার মাহফুজুল ইসলাম বলেন, এই আবার চালান বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কারা নিয়ে এসেছে, কারা এর পিছনে জড়িত তা খুঁজে বের করতে আমাদের কাজ শুরু হয়ে গেছে।
অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে এ ব্যাপারে চকরিয়া থানায় একটি মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী।
তবে অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, ইয়াবার যে চালান পুলিশ জব্দ করেছে সেখানে ইবার পরিমাণ আরও বেশি ছিল। বাকি ইয়াবা গুলো পুলিশ সোর্স কে দিয়েছে নাকি আর কি করেছে সেই বিষয়ে সূত্রটি নিশ্চিতভাবে কিছু জানাতে পারেননি।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর