শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ

কালবৈশাখী ঝড়ে উড়ে গেছে বিধবা প্রতিবন্ধির ঘর,খোলা আকাশের নিচে বসবাস

নিউজ রুম / ২১৬ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন

দেলওয়ার হোসাইন, পেকুয়া প্রতিনিধি ;
বেশ কয়েক বার পেকুয়ার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে উড়ে গেছে এক বিধবা ও প্রতিবন্ধির বসত ঘর, অর্থ অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ঘর মেরামতের উপায় না থাকায় গত দু সপ্তাহ ধরে বাধ্য হয়ে দুই সন্তানসহ পরিবারে ৮ সদস্য নিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে পরিবারটি।
গত ৪ মে রাতে  কালবৈশাখী ঝড়ে উড়ে যায় কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের হাজিরপাড়া এলাকার বিধবা প্রতিবন্ধি রোজিনা বেগমের বসতঘর ।
জানা যায় বেশ কিছু দিন আগে ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মারা যায় রোজিনার স্বামী। দুই সন্তান নিয়ে অসহায় রোজিনা পিতা বাড়ীতে আশ্রয় নেন। মানুষের সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে বেঁচে থাকা এই প্রতিবন্ধির একমাত্র বসবাসের শেষ আশ্রয়স্থল ঘরটিও কালবৈশাখী ঝড়ে উড়ে গেলে বাধ্য হয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করতে হচ্ছে।
বিষয়টি জানতে পেয়ে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম প্রতিবন্ধির ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িতে গিয়ে ব্যক্তিগত অর্থ সহায়তা প্রদান করেন । এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি জেলা প্রশাসক মহোদয়কে অবহিত করে ঘর মেরামত ও প্রতিবন্ধি ভাতা প্রদানের জন্য ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাসদেন। তিনি বলেন,সরকারের পাশাপাশি অসহায় প্রতিবন্ধি মহিলার পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনদের এগিয়ে আসার আহবান জানন।
গত সপ্তাহ দুয়েক ধরে অসহায় বিধবা প্রতিবন্ধি পরিবারটি খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করলেও
 এখনও পর্যন্ত কোন জনপ্রতিনিধি বা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এগিয়ে আসেনি।
পরিবারের একমাত্র উপার্জন নির্ভর রায়হান বলেন,আমি টলি গাড়ি চালিয়ে পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করি। এমন কোন জমানো টাকা নেই যে ঘরটি মেরামত করবো তাই বাধ্য হয়ে পরিবার নিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছি।
পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর