শিরোনাম :
কোটা আন্দোলন : কক্সবাজারে আওয়ামীলীগ, জাসদ, জাতীয় পার্টির কার্যালয়, মসজিদ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গাড়ি ভাংচুর; ছাত্রলীগ ৪ নেতাকে মারধর কক্সবাজারে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের বিক্ষোভ মিছিল চট্টগ্রামে কোটা আন্দোলনে সংর্ঘষে নিহত ছাত্র আকরামের বাড়ী কক্সবাজারের পেকুয়ায় পেকুয়ায় দূর্যোগ প্রস্তুতি ও সাড়াদান বিষয়ক কর্মশালা ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার পর্যটন শহরেও উত্তাপ ছড়ালো কোটা আন্দোলনকারীরা উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব ১৫ জুলাই টেকনাফে জেন্ডার ও বিরোধ সংবেদনশীল সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ মিয়ানমারের বিকট শব্দে আতংকে টেকনাফবাসী টেকনাফে ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন

নাইক্ষ্যংছড়ির দোছড়ি ইউনিয়ন পরিষদে শোক দিবস পালিত

নিউজ রুম / ৫ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন

এস এম হুমায়ুন কবির :
পার্বত্য জেলা বান্দরবানের সীমান্ত উপজেলা নাইক্ষ্যংছড়ির দোছড়ি ইউনিয়ন পরিষদে স্বাধীনতার পর এবার প্রথম ব্যাপক কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে।
দোছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে শোক দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক ও দোছড়ি ইউনিয়নের জনগনের বিপুল ভোটে বিজয়ী চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইমরান বলেন,মহানায়ক, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি, স্বাধীনতার স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের একটি স্বাধীন বাংলাদেশ উপহার দেন।স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে ৩ বছরের মাথায় জাতির জনক সহ স্ব পরিবার কে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে নির্মম ভাবে হত্যা করেন।১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট থেকে ১৯৯৬ সালের ২৯ জুন পর্যন্ত যারাই ক্ষমতায় ছিল সবাই অবৈধ পথে অথবা বন্দুকের নলের মাধ্যমে অবৈধ ভাবে রাস্ট্রের গদি জবরদখল করেছিল। বিরোধী মতের গণতন্ত্রের পক্ষে যারা কথা বলতো তাদের কন্ঠরোধ করার জন্যে অবৈধ সরকার গুলো মরিয়া হতো।অবৈধ, অগণতান্ত্রিক সরকারের সব থেকে বেশি বর্বর ছিল মেজর জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার। মেজর জিয়াই বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রাস্ট্রদূতের চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করেছিল।আর বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের পথ রুদ্ধ করতে মেজর জিয়ার নেতৃত্বে তৎকালীন বিএনপি সরকারই ইতিহাসের কালো আইন ইমডেমনিটি অধ্যাদেশ পাশ করেন।বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ১৯৯৬ সালে জনগনের ভোটে সরকার গঠন করে কালো ইমডেমনিটি আইন বাতিল করেন এবং বঙ্গবন্ধু হত্যার অপরাধীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে খুনিদের বিচারের আওতায় আনেন।অধিকাংশ খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি মৃত্যুদন্ড নিশ্চিত করা গেলে ও এখনো পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বঙ্গবন্ধুর কয়েকজন খুনি আত্নগোপনে আছেন। দোছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান, জননেতা মোহাম্মদ ইমরান আরো বলেন, আজ শোক দিবসের মঞ্চে দাড়িয়ে সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাই,বঙ্গবন্ধুর কুখ্যাত খুনিদের ফিরিয়ে এনে বাংলার মাটিতে ফাঁসি কার্যকরের মাধ্যমে বাংলার মাটি কে পবিত্রতা ফিরিয়ে দিন এবং বাঙালি জাতি কে কলঙ্ক মুক্ত করুণ।
উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা ইরফান মোহাম্মদ রায়হানের প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় শোক সভায় বক্তব্য রাখেন দোছড়ি ইউনিয়ন আওয়ামিলীগ সাধারন সম্পাদক মুজিবুর রহমান,প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা ও ইউপি সদস্য নুরুল আলম মেম্বার, মিজানুর রহমান এমইউপি, প্রমুখ।
শোক সভা মূহুর্তের মধ্যে জনসভায় রুপ দেয়।শোক সভা শেষে বঙ্গবন্ধু সহ স্ব পরিবারের আত্নার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয় এবং দোছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইমরানের সৌজন্যে হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী কাঙ্খালী ভোজ বিতরণ করা হয়।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর