শিরোনাম :
জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ যুক্তির লড়াইয়ে মুখর কুতুবদিয়া দ্বীপ চ্যানেল ওয়ানের কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন এফ এম সুমন উখিয়ায় সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু

গনহত্যা বন্ধ করো বন্ধ করো শ্লোগানে প্রকম্পিত উখিয়া রোহিঙ্গা শরনার্থী শিবির

নিউজ রুম / ১৮৮ বার পড়ছে
আপলোড : শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১২ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা আগমনের ৭ বছর পুর্তি উপলক্ষে শরনার্থী শিবিরে গনহত্যা দিবস পালন করেছে রোহিঙ্গারা। এ উপলক্ষে আজ ২৫ আগস্ট শরনার্থী শিবিরে বিশাল সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

দিনটিকে রোহিঙ্গারা কালো দিবস আখ্যা দিয়ে রোহিঙ্গা গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে রোহিঙ্গা।

রবিবার সকাল ১০টার পর থেকে মুষলধারা বৃষ্টি উপেক্ষা করে উখিয়ার বিভিন্ন  ক্যাম্পে ‘হোপ ইজ হোম’ ক্যাম্পেইন পালন করেছেন তারা। সমাবেশে হাজার হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমারে গনহত্যা বন্ধ করো গনহত্যা বন্ধ করো শ্লোগানে প্রকম্পিত করে সমাবেশে।

হোপ ইজ হোম’ ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আশপাশের ক্যাম্প থেকে সকাল থেকে লোকজন শিবিরের ফুটবল মাঠে জড়ো হতে শুরু করেন। ক্যাম্পেইন সমাবেশে পুরুষদের পাশাপাশি রোহিঙ্গা নারী, শিশুরাও যোগ দেন। পোস্টার, প্ল্যাকার্ডে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার দাবি তুলে ধরেন।

সমাবেশে রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতারা বলেছেন ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের সামরিক জান্তার গনহত্যার মুখে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নেয়। সামরিক জান্তা রোহিঙ্গাদের বাড়ি ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে। তারা আরাকানে জাতিগত নিধন চালিয়ে গেছে।

রোহিঙ্গা নেতারা জানান ২০১৭ সালের পর এ বছর আরাকানে রোহিঙ্গা জাতি দ্বিতীয় গনহত্যার শিকার হচ্ছে। বর্তমানে রাখাইন ষ্টেটে আরাকান আর্মি রোহিঙ্গাদের উপর দ্বিতীয় দফা গনহত্যা চালাচ্ছে।

তারা জানায়, দেশে ফিরে যাওয়ার জন্যে এই গণহত্যা দিবসটি পালন করছে। নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশা রেখে অনেকেই বলেন, এই দিনে মিয়ানমার জান্তা সরকার তাদের ওপর গণহত্যা চালিয়েছে। এই দেশে আর কত বছর থাকবো? আর থাকতে চাই না। আমরা আমাদের স্বদেশে ফিরতে চাই। মিয়ানমার আমাদের দেশ। অনতিবিলম্বে আমাদের নিজ দেশে ফেরত নিতে হবে। বাংলাদেশের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে প্রত্যাবাসন সফল করতে দেশটির পাশে থাকতে হবে।

রোহিঙ্গা নেতারা রাখাইনে রোহিঙ্গাদের উপর সামরিক জান্তা এবং আরাকান আর্মির গনহত্যা বন্ধে জাতিসংঘ সহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এছাড়া প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ, ওআইসি, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন, বাংলাদেশসহ দাতা সংস্থার কাছে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার জন্যে সহযোগীতা কামনা করেন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা সৈয়দ উল্লাহ, মাস্টার মোহাম্মদ কামাল, মাস্টার রশিদ আহমদ মাস্টার রহমত উল্লাহ প্রমুখ।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর