শিরোনাম :
নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া

বিস্ফোরণে কেঁপে উঠলো টেকনাফ সীমান্ত

নিউজ রুম / ১৪৪ বার পড়ছে
আপলোড : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৯ অপরাহ্ন

রহমান তারেক :

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে ফের গোলাগুলি ও বোমার শব্দ শোনা গেছে। বুধবার (২৮ আগস্ট) মধ্যরাত থেকে টানা মর্টার শেল ও বোমার শব্দে কেঁপে উঠে সীমান্তের ঘরবাড়ি। ঘুমাতে পারেনি বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।
অনেকদিন বন্ধ থাকার পর টেকনাফ সদর, হোয়াইক্যং উনচিপ্রাং, সাবরাং শাহপরীর দ্বীপ ও সেন্টমার্টিনে বিস্ফোরণের শব্দ ভেসে আসে। মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এসব গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এপারের সীমান্ত এলাকার মানুষ।
প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন দ্বীপেও একই ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
টেকনাফের হ্নীলা এলাকার রফিক উল্লাহ বলেন, রাত দেড়টা থেকে টানা বিস্ফোরণের শব্দে বাড়ির সবার ঘুম ভেঙে গেল। আর ঘুমাতে পারিনি কেউ। বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে বাড়িঘর।
সেন্টমার্টিন দক্ষিণপাড়া এলাকার শাকিল হোসেন বলেন, মধ্যরাতে বোমার শব্দ শুনতে পেয়েছি। সেন্টমার্টিনে অনেকদিন পর শোনা গেল বিস্ফোরণের শব্দ।
টেকনাফের সাবারাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর হোসেন বলেন, মধ্যরাতে টানা কয়েক ঘণ্টা বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।  তবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক। ধারণা করা হচ্ছে, মিয়ানমারের মংডু টাউনশিপের কাদিরবিল, মংনিপাড়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রামে হামলা হচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে চলা মিয়ানমার আরাকান আর্মি ও সে দেশের জান্তা সরকারের মধ্যে চলছে সংঘর্ষ। এতে দুপক্ষের অনেকে প্রাণ হারিয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া হামলায় রোহিঙ্গাদের মৃত্যুর খবরও পাওয়া গেছে।
সংঘর্ষ চলাকালীন আরাকান আর্মির হামলা থেকে জীবন বাঁচাতে সর্বশেষ গত ১৪ আগস্ট মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ১৩ সদস্য।
তারা নাফ নদ পেরিয়ে টেকনাফ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। বর্তমানে তারা বিজিবি হেফাজতে রয়েছে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর