শিরোনাম :
কোটা আন্দোলন : কক্সবাজারে আওয়ামীলীগ, জাসদ, জাতীয় পার্টির কার্যালয়, মসজিদ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গাড়ি ভাংচুর; ছাত্রলীগ ৪ নেতাকে মারধর কক্সবাজারে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের বিক্ষোভ মিছিল চট্টগ্রামে কোটা আন্দোলনে সংর্ঘষে নিহত ছাত্র আকরামের বাড়ী কক্সবাজারের পেকুয়ায় পেকুয়ায় দূর্যোগ প্রস্তুতি ও সাড়াদান বিষয়ক কর্মশালা ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার পর্যটন শহরেও উত্তাপ ছড়ালো কোটা আন্দোলনকারীরা উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব ১৫ জুলাই টেকনাফে জেন্ডার ও বিরোধ সংবেদনশীল সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ মিয়ানমারের বিকট শব্দে আতংকে টেকনাফবাসী টেকনাফে ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন

জীবনের নিরাপত্তা চেয়েছেন বাবুল আক্তার

নিউজ রুম / ৪ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন

চৌধুরী ফরিদ :ফেনী কারাগারে আটক থাকা সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার এবার জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে জেল কোডের ১১ ধারায় আজ চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ বেগম জেবুন্নেছার আদালতে আবেদন করেছেন। বাবুল আক্তারের আইনজীবী এডভোকেট গোলাম মাওলা মুরাদ এই আবেদন করেন। আদালত শুনানী শেষে আদেশের জন্য রেখেছেন।বাবুল আক্তার গত ৯ সেপ্টেম্বর পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদারসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতে মামলা দায়েরের প্রার্থনা জানানোর পর গত শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন ফেনী কারাগারে প্রবেশ করে বাবুল আক্তারের কক্ষে দীর্ঘ সময় তল্লাশি করে।
বাবুল আক্তারের আইনজীবী জানান, কারাগারে ফেনী থানার ওসি প্রবেশের চিত্র সিসিটিভি ক্যামেরায় রয়েছে। জেল কোড অনুসারে থানার কর্মরত একজন পুলিশ কর্মকর্তা কোনভাবেই জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং আদালতের লিখিত অনুমতি ছাড়া জেলখানায় প্রবেশ করতে পারেন না। ফেনী থানার ওসি আইন লংঘন করে জেল কোড অনুসারে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ আরও জানান, ওসি প্রবেশের ঘটনার তদন্ত ও বাবুল আক্তারের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ফেনীর জেলসুপারকে নির্দেশ প্রদানের আবেদন করা হয়েছে। আদালত শুনানি শেষে আদেশের জন্য রেখেছে।
২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম শহরের জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় গুলি ও ছুরিকাঘাতে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় বাবুল আকতারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে। স্ত্রী খুনের ঘটনায় ওই সময় নগরীর পাচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন বাবুল আকতার।
গত বছর ১২ মে বাবুল আক্তারসহ আটজনকে আসামি করে মিতুর বাবা মোশররফ হোসেন পাঁচলাইশ থানায় পাল্টা মামলা দায়ের করেন। দুটি মামলাই তদন্ত করেছে পিবিআই।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর