শিরোনাম :
মিয়ানমারের রাখাইনে সংঘাত: সীমান্ত অতিক্রম করে পালিয়ে আসলো রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর ৫২ জন সদস্য এনসিপি কক্সবাজারের উদ্যোগে শহিদ শরীফ ওসমান হাদী স্মরণসভা ও সাংগঠনিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ইপসা’র বীচ ক্লিনিং ক্যাম্পেইন প্রোগ্রামে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন কাকারায় অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই একর বনভূমি উদ্ধার চকরিয়ার সাংবাদিক এস.এম হান্নান শাহ আর নেই বাঁকখালী নদীতে থাকা সেন্টমার্টিনগামী ‘দ্যা আটলান্টিক জাহাজে আগুন: অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘুমন্ত শ্রমিক নিহত :তদন্ত কমিটি গঠন সামুদ্রিক শৈবাল চাষের গবেষণা বিষয়ক কর্মশালা মা মাটি ডাকছে, তারেক রহমান আসছে :কক্সবাজার থেকে ২০ হাজার নেতা কর্মী যাচ্ছে ঢাকায় কক্সবাজার–৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থিতা ঘোষণা করলেন পরিবেশ কর্মী ও কক্সবাজার মডেল পলিটিক্স”-এর উদ্যোক্তা মোঃ ইলিয়াছ মিয়া জেলায় ৪ টি আসন থেকে দলীয় ও স্বতন্ত্র সহ ৯জনের মনোনয়ন সংগ্রহ

কক্সবাজার সৈকতে অবৈধ স্থাপনা নয়

নিউজ রুম / ১২৫ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত এলাকায় যাতে পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ না হয়, সে বিষয়ে সার্বক্ষণিক তদারকির নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে আদালত অবমাননাসংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তি করে দিয়ে গতকাল বুধবার বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশনা দেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। পরে তিনি জানান, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সৌন্দর্য রক্ষায় উচ্চ আদালতের রায়ের নির্দেশনা
বাস্তবায়ন করতে সবসময় জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেছেন আদালত। পরে আদালত অবমাননার মামলার দায় থেকে কক্সবাজারের ডিসি মামুনুর রশীদকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ১৯ অক্টোবর কক্সবাজারের ডিসিকে ডেকে উচ্চ আদালতের রায়ের নির্দেশনা প্রতিপালন করতে হুশিয়ার করেন হাইকোর্ট। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে গতকাল বুধবারের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, গতকাল প্রতিবেদন জমা দিয়ে ডিসি জানান, সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ৪১৭টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। পরে আদালত অবমাননার রুলটি নিষ্পত্তি করে দেন হাইকোর্ট।
আদালত অবমাননার বিষয়ে আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ২৫ আগস্ট হাইকোর্টের ওই বেঞ্চ কক্সবাজারের ডিসিকে তলব করেছিল। ডিসি ছাড়া আরও চারজনের বিরুদ্ধে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। তারা হলেন- কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমেদ, টাউন প্ল্যানার তানভীর হাসান, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান ও পৌরসভার মেয়র মজিবর রহমান।
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত এলাকার অবৈধ দখল ও স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়ে ২০১১ সালের ৭ জুন রায় দেন হাইকোর্ট। ওই রায়ের আলোকে কয়েক দফা নির্দেশনা দিলেও তা সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করা হয়নি। এ কারণে ফের আদালত অবমনানার অভিযোগে চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজারের ডিসিসহ সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। নোটিশের সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় আদালত অবমাননার আবেদন করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর