শিরোনাম :
কোটা আন্দোলন : কক্সবাজারে আওয়ামীলীগ, জাসদ, জাতীয় পার্টির কার্যালয়, মসজিদ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গাড়ি ভাংচুর; ছাত্রলীগ ৪ নেতাকে মারধর কক্সবাজারে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের বিক্ষোভ মিছিল চট্টগ্রামে কোটা আন্দোলনে সংর্ঘষে নিহত ছাত্র আকরামের বাড়ী কক্সবাজারের পেকুয়ায় পেকুয়ায় দূর্যোগ প্রস্তুতি ও সাড়াদান বিষয়ক কর্মশালা ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার পর্যটন শহরেও উত্তাপ ছড়ালো কোটা আন্দোলনকারীরা উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব ১৫ জুলাই টেকনাফে জেন্ডার ও বিরোধ সংবেদনশীল সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ মিয়ানমারের বিকট শব্দে আতংকে টেকনাফবাসী টেকনাফে ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন

প্রধান আসামীর স্বীকারোক্তী : বদলা নিতেই ইমনকে ডেকে নিয়ে হত্যা

নিউজ রুম / ৬ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ১১:৩৫ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
পূর্ব শত্রুতার বদলা নিতেই পরিকল্পিতভাবে কক্সবাজার পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ইমন হাসান মওলা ( ২০) কে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।
সোমবার রাতে ( ২৫ জুলাই ) ওই খুনের মুলহোতা ও মামলার প্রধান আসামী আবদুল খান ওরফে আবদুল্লাহ খান কক্সবাজার সদর জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে এমন জবাববন্দী দিয়েছেন।
দোষ স্বীকার করে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীটি গ্রহন করেছেন কক্সবাজারের জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আসাদ উদ্দিন মো. আসিফ।
কক্সবাজার জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শাহাজাহান নূরী বলেন, আবদুল্লাহ খান সোমবা্র রাতে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন।
আদালত ও মামলার তদন্তের সাথে জড়িত একাধিক সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নিহতের ইমনের বাবা হাসানের শহরের বাজারঘটায় একটি পলিথিন, পাপস ও কার্পেটের দোকান রয়েছে। সেখানে একটি পাপস কিনতে গিলেই আবদুল্লাহ খান ও ইমনের মধ্যে বিবাদের শুরু। এরই জেরে ইমন ও তার বন্ধুরা মিলে আবদুল্লাহ ও তার সহযোগিদের ২০২১ সালে মারধর করে। ওই ঘটনায় আবদুল্লাহ পরিবার বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। যার নম্বর ৪১/৬৮১। তবে মামলাটি সামাজিকভাবে নিস্পত্তি হলেও এতে মনক্ষুন্ন ছিল আবদুল্লাহ খাঁন। সে প্রতিশোধ নিতে সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। সে সুযোগ ২১ জুলাই রাতে আবদুল্লাহ পায়।
এবিষয়ে মামলার তদন্তের সাথে জড়িত এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আবদুল্লাহ মীমাংসাতে খুশি ছিল না। তবে সে রুপ প্লাটে ইমনের সাথে বন্ধুত্ব করে। কয়েকদিন আগের ইদুল আযহাতে ইমনের বাড়িতে বন্ধু বান্ধব নিয়ে বেড়াতেও যায়। এতে ইমন ও আবদুল্লাহকে বিশ্বাস করতে শুরু করে। ইমন যেদিন খুন হয় তারপরদিন ২২ জুলাই ইমনের তাবলীগ জামায়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। ইমন যেন তাবলীগে যাওয়ার আগে আবদুল্লাহ ও তার বন্ধুদের সাথে দেখা করে যায় সেরকম পরিকল্পনা করে আবদুল্লাহ। পরিকল্পনা মত ইমনকে ডেকে নেয় আবদুল্লাহ। পরে তাকে হাত পায়ের রগ করে উপর্যপুরী ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়।

কক্সবাজার সদর থানাও ওসি ( তদন্ত) সেলিম উদ্দিন বলেন, আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছেন ইমন হত্যার প্রধান আসামী আবদুল্লাহ। ইমন হত্যার সাথে আবদুল্লাহ সহ ৪ জন জড়িত বলে আদালতে দায় স্বীকার করেছে আবদুল্লাহ। তার দেয়া তথ্য যাচাই বাছাই রা হচ্ছে।
উল্লেখ্য ২১ জুলাই রাতে কক্সবাজার শহরে ছুরিকাঘাতে নিহত হয় ইমন হাসান মাওলা। এর দুইদিন পর ২৪ জুলাই রাতে নিহতের বাবা হাসান বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে ও ৭/৮ জনকে অজ্ঞাত রেখে কক্সবাজার সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার নম্বর ৫৫/৪৮১। ওইদিন ভোরেই মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর