শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

টেকনাফ থেকে শিশুসহ ২ জন অপহরণ : মুক্তিপণ দাবি

নিউজ রুম / ১৩১ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ন

রহমান তারেক :
কক্সবাজারের টেকনাফ বাহারছড়া থেকে ১১ বছরের শিশুসহ দুইজনকে অপহরণের পর ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করছে অপহরণকারীরা। শুক্রবার (৩ মার্চ) রাত ১১টার মধ্যে মুক্তিপণের টাকা না দিলে তাদের মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে স্বজনদের মোবাইলে।
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাহারছড়ার মারিশবনিয়া থেকে তাদের অপহরণ করা হয়।
শুক্রবার (৩ মার্চ) রাত সোয়া ৯টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) নাসির উদ্দিন মজুমদার।
অপহৃতরা হলেন, মারিশবনিয়া ৭নং ওয়ার্ডের মুহাম্মদ আলীর ছেলে উবায়দুল্লাহ (২০) ও হোসেন আহমদের ছেলে মো. সালমান (১১)। তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই।
তাদের চাচা হাসান মুহাম্মদ গালিব বলেন, শুক্রবার মাগরিবের পর সালমানের চুল কাটানোর জন্য উবায়দুল্লাহ সহ দোকানের উদ্দেশ্যে বের হয়। এসময় একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা এসে তাদের তুলে নিয়ে যায়। পরে ফোন করে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। শুক্রবার রাত ১১টার মধ্যে টাকা না দিলে মেরে ফেলার হুমকি দেয় অপহরণকারীরা।
বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন বলেন, ‘মারিশবনিয়া পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় ওইদিকে প্রতিনিয়ত অপহরণ হচ্ছে। অপহরণকারীরা লোকজন ধরে গহীন পাহাড়ে ঢুকে পড়ে। পরে মুক্তিপণ দাবি করে। এটি অত্যন্ত দুঃখের বিষয়। প্রশাসনিকভাবে অপহরণ সমস্যাটি সমাধানের একটি স্থায়ী সমাধান দরকার। এদিকে
অপহরণের খবর ছড়িয়ে পড়লে অপহরণকারীরা অপহৃতদের মেরে ফেলার আশঙ্কাও করে তাদের পরিবার।’
ওসি তদন্ত নাসির উদ্দিন মজুমদার বলেন, ‘৯৯৯-এ অপহরণের খবর আসে। আমরা সঙ্গে সঙ্গে বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়িকে জানিয়েছি। তারা এ ব্যাপারে কাজ করছে।’


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর